বিএনপির শীর্ষ নেতাদের জামিন শুনানি কতদূর
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৮, ২০২৩ ১০:১৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৮, ২০২৩ ১০:১৪ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
গত ২৮ অক্টোবর থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় সাড়ে ৯ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ৩ হাজারের বেশি নেতাকর্মী। আইনজীবীরা বলছেন, তাদের জামিন শুনানিতে সময় লাগছে।
২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতার মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য মির্জা আব্বাস ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, তিন ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও শামসুজ্জামান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক জহির উদ্দিন স্বপন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হকসহ অনেকে। আবার অনেকেই রয়েছেন আত্মগোপনে।
অবশ্য একটি মামলায় জামিন পেলেই বিএনপি নেতাদের মুক্তি নিশ্চিত নয়। কারণ, একেকজন নেতার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ চাইলে অন্য মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখাতে পারবে। বিএনপির ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, নেতাদের আরও মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো শুরু হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, রাজনৈতিক মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের কাছ থেকে ন্যায়বিচার না পেলে বিএনপির মহাসচিবসহ অন্যদের কারাগারে থাকতে হবে, এটাই বাস্তবতা।
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) তাপস কুমার পাল দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, কোনো ব্যক্তি মহানগর দায়রা জজ আদালতে গেলে জামিন আবেদনের শুনানির জন্য সাধারণত এক সপ্তাহের মতো সময় পরদিন ধার্য হতো।
তবে বর্তমানে দেরি হওয়ার ক্ষেত্রে দুটি কারণ আছে বলে মনে করেন তিনি। একটি হলো ডিসেম্বরে নিয়মিত বিচারিক আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সে সময় জামিন বিষয়ে আট কার্যদিবস শুনানি নেবেন আদালত। এ কারণে জামিন শুনানির দিন পেতে সময় একটু বেশি লাগছে। দ্বিতীয় কারণটি হলো এখন মামলার চাপ বেশি।
জনতার আওয়াজ/আ আ