বিএনপি'র সংবাদ সম্মেলন - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৩২, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, নভেম্বর ১৮, ২০২৩ ৮:১২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, নভেম্বর ১৮, ২০২৩ ৮:১২ অপরাহ্ণ

 

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা
আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

নিশিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল অকপটে স্বীকার করেছেন, অস্ত্র হাতে এবং রাতের অন্ধকারে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে তিনি ক্ষমতার সিংহাসন দখল করে রেখেছেন। তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভায় তিনি বলেছেন,”অস্ত্র হাতে না, রাতের অন্ধকারে না। বাংলাদেশে সরকার গঠন হবে ভোটের মধ্য দিয়েই।” কথায় বলে-ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সত্যকে কখনো ধামাচাপা দেওয়া যায় না। সত্য কোনো না কোনোভাবে প্রকাশিত হয়ই।’

ইতিপূর্বে নিশিরাতের সরকারের সঙ্গী রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ বহু আওয়ামীলীগ নেতা সাক্ষ্য দিয়েছেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি। রাতের অন্ধকারে নৌকায় সীল মেরে বাক্স ভরা হয়েছিল। ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে দেশের মানুষের’। ঢাকাস্থ জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকিসহ বিদেশীরাও বলেছেন, পৃথিবীতে একমাত্র বাংলাদেশেই রাতের ভোট হয়।এবার নিজের মুখে রাতে ভোট করার মহাসত্যটি স্বীকার করে নিলেন শেখ হাসিনা। সুতরাং তার এই স্বাকারোক্তির পর এই মূহুর্তে ভোটারদের কাছে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করতে হবে। তার আর ক্ষমতায় থাকার কোন নৈতিক অধিকার নেই। শেখ হাসিনা আবারো গায়ের জোরে তার উচ্ছিষ্টভোগি সঙ্গীদের নিয়ে একতরফা ভোটহীন আরো একটি পাতানো নির্বাচনের তামাশা করছেন। ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে জনগণের ভোট ডাকাতি করে রাতের গর্ভে সরকারের জন্ম দেওয়া হয়েছিল। ২০১৪ সালে দলহীন নির্বাচনে অভিনব কায়দায় দিনে ভোট ডাকাতি করে ১৫৪ জনকে অটো পাস এমপি বানানো হয়েছিল। ভোট কেন্দ্রে কোন ভোটার দেখা যায়নি। আর এবার চোর-ডাকাত দিয়ে ভিন্ন কোন পন্থায় ভোটের নামে আরেকটি ভাঁওতাবাজীর প্রহসন করতে মরিয়া, বেপরোয়া ও ভয়ঙ্কর মারমুখী হয়ে উঠেছে আওয়ামী সরকার। ভোটারবিহীন নির্বাচন করার জন্য বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করতে পোড়ামাটি নীতি গ্রহণ করে ঘৃণ্য-দুষিত বাতাবরণ তৈরী করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন কেমন হবে তা তো দেশবাসী জানে-বাঘ তার ডোরা কাটা দাগ ফেলে আসতে পারে না।

সচেতন বন্ধুরা/
শেখ হাসিনা আবারো ক্ষমতায় থাকার সীলমোহর নিতে হাজার হাজার বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা প্রহরায় একটি রণক্ষেত্রের দৃশ্যপট রচনা করে তার মাঝে বসে একদলীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করিয়েছে আজ্ঞাবহ কাজী হাবিবুল আউয়ালকে দিয়ে। আওয়ামীলীগের ফরমায়েশি তফসিল দেশের ১২ কোটি ভোটার ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার বঞ্ছিত মানুষ রাজপথে নেমেছে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং একনায়ক শেখ হাসিনার পদত্যাগের ন্যায্য দাবীতে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা তার ভোট ডাকাতির পথ কন্টকমুক্ত এবং জাতীয়তাবাদী শক্তিসহ বিরোধী দল-মত ও পথে বিশ্বাসীদের নিশ্চিহ্ন করতে এক চতুর নীলনকশা অনুযায়ী বিচার-আচার-পুলিশ-প্রশাসনসহ সকল রাষ্ট্রযন্ত্রকে তালুবন্দী করে স্বৈরতান্ত্রিক একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সারাদেশে এক মহা ক্র্যাকডাউন চালাচ্ছে। পুলিশকে নেকড়ের মতো জনগণের ওপর লেলিয়ে দেয়া হয়েছে।

পুলিশের বিস্ময়কর অপতৎপরতায় প্রমাণিত হচ্ছে-শেখ হাসিনার সরকার একতরফা নির্বাচন ঘিরে এক সর্বনাশা নিষ্প্রাণ, নিস্তেজ পরিস্থিতি তৈরী করতে হিংস্র হয়ে উঠেছে। অতীতের মতোই সারা বাংলাদেশের জনগণকে বন্দী করে, গৃহছাড়া করে ভোট ডাকাতির উৎসব সফল করতে চায়। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা, হামলা নির্যাতন এবং পাইকারী গ্রেফতারের চিরুনী অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে আওয়ামী দলবাজ আইন সৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। সারাদেশে চলছে ইতিহাসের জঘন্যতম ভয়াবহ মামলাবাজী আর আটক বানিজ্য। দেশের প্রায় প্রতিটি থানা-উপজেলার দৃশ্যপট অভিন্ন। এই গায়েবী মামলা গ্রেফতার নিয়ে বিশ্বের গণতন্ত্রকামী দেশ, জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানালেও নিশিরাতের সরকার নিজেকে রক্ষা করতে এই অপকর্মে বেপরোয়া। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার বানিজ্যের তান্ডবে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ছাড়া গ্রাম-গঞ্জ, মফস্বল জনপদে কেউ বাড়ীঘরে থাকতে পারছে না। ফলে ব্যবসা বানিজ্য, কাজকর্ম করতে পারছে না। পরিবার থেক বিচ্ছিন্ন থাকায় অসংখ্য পরিবারকে খেয়ে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। পুলিশের এখন পৌষ মাস, আর জাতির সর্বনাশ। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের আটক করে কারো কাছ থেকে ১ লাখ, কারো কাছ থেকে ৫০ হাজার, ৩০ হাজার টাকা নিচ্ছে। টাকা দিতে না পারলে মিথ্যা মামলায় জেলখানায় নিক্ষেপ করা হচ্ছে।

দেশের জেলখানাগুলোতে ধারন ক্ষমতার কয়েকগুন বিরোধীদলের নেতাকর্মীতে উপচে পড়ছে। মহা বিপর্যয়ের সৃস্টি হয়েছে। অনেককে আটকে রেখে মুক্তিপণ নিচ্ছে পুলিশ। নেতাকর্মীদের না পেয়ে তার স্বজন আত্মীয়দের আটক করে মারধর করছে পুলিশ। তাদেরকে গ্রেফতার বানিজ্যের লাইসেন্স দিয়েছে শেখ হাসিনা। কার্যতঃ দেশে আইনের শাসনের মূলোৎপাটন করা হয়েছে। গায়েবী মামলা ও গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপি নেতাকর্মীদের এখন দু:সহ জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারি বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করা হচ্ছে। তাদেরকে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে দেয়া হচ্ছে না, ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে তাদেরকে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।

তবে এতোসব করে এবার আর পার পাওয়া যাবে না। জনগণ রাজপথে নেমেছে অধিকার আদায়ের দুর্বার আন্দোলনে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিলে সরকারের পতন হবে। আপনারা যে তফসিল ঘোষণা করেছেন তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করুন। নির্বাচন স্থগিত করে আগে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় এই ফরমায়েশী তফসিলে বাংলাদেশে এক তরফা কোন নির্বাচন হবে না। জনগণ সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করবে।

সংগ্রামী বন্ধুরা,
অবৈধ আওয়ামী সরকারের পদত্যাগসহ নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবীতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ হাজার-হাজার নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ চলমান আন্দোলনের একদফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে এবং নির্বাচন কমিশন কর্তৃক একতরফা নির্বাচনের জন্য ঘোষিত তফসিলের প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার (১৯ নভেম্বর) ভোর ৬ টা থেকে মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ভোর ৬ টা পর্যন্ত মোট ৪৮ ঘন্টা হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কর্মসূচী শান্তিপূর্ণভাবে পালনের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমি সারাদেশের নেতাকর্মী ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী কর্তৃক হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের বিবরণ ঃ

বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী এ্যাড. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এর ছেলে তানভীর রহমান মিথুনের বাসায় গতকাল রাত ২:৪৫ মিনিটে পুলিশ তল্লাশী চালায়। ছেলের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যে- শিমুল বিশ্বাস এবং তার ছেলে তানভীর রহমান কোথায় আছে। অথচ তানভীর রহমান কোন রাজনৈতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত নয়। তবুও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে খুঁজছে। পিতাকে না পেয়ে সন্তানকে, ভাইকে না পেয়ে আরেক ভাইকে এমনকি জামাই, শশুর, কাজের লোক ও গাড়ীর ড্রাইভারকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ আমরা কোন দেশে বাস করছি ?
গত ৩/৪ দিন আগে হাতিরঝিল থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মীমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ তাকে শাহবাগ থানায় ৪ দিনের রিমান্ডে এনে তার উপর চালানো হাচ্ছে জুলুম, নিপীড়ন ও নির্যাতন।

গ্রেফতার ঃ
ক্স নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার শান্তিপূর্ন মিছিল থেকে জামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফজলে রিমন ভ্ূঁইয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আল-আমিন অভিকে না পেয়ে তার ভাতিজা এসএসসি পরিক্ষার্থী সোহান সরকারকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ।
ক্স ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আওয়াতাধীন যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপি নেতা মোঃ রহমত উল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও কদমতলী থানাধীন ৬১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নুর নবী সবুজ পাশাকে গত পরশুদিন রাতে তার বাসা থেকে র‌্যাব তুলে নিয়ে গেছে। এখনপর্যন্ত তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরিদ উদ্দিন রায়হানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স ঢাকা মহানগর উত্তরের মোহাম্মদপুর থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলীকে গতকাল মহাখালী থেকে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে যায়। এখনপর্যন্ত তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ক্স যশোর জেলার বাঘারপাড়া পৌর যুবদলের আহবায়ক হিরু আহমেদ এবং মঙ্গলকোর্ট ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল গনি বিশ্বাস ও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোকাররম হোসেনসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বাচ্চু আহমেদ, পানছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দিদারুল আলম, ৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিমসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গতকাল গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স দিনাজপুর জেলাধীন ফুলবাড়ি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জুলফিকার আলী, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সাজিদুর রহমান, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ আবু দাউদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মিরাজ মজুমদার আকাশ, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ আল-আমিন সরকার পাপ্পু ও ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ আরাফাত হোসেনসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স পাবনা জেলাধীন দুলাই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজম আলী খান ও সাথিয়া উপজেলার যুবদল নেতা বেলাল হোসেনসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স সাতক্ষিরা জেলার পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মাসুদ রানাসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঃ ঢাকা মহানগর উত্তর শাহ আলী থানা নেতা মোঃ জুয়েল, গাজীপুর জেলা কালিয়াকৈর পৌর ৮নং ওয়ার্ড সদস্য সচিব কবির সরকার, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক মোঃ রিপন হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর চান্দগাঁও থানা সদস্য নজরুল ইসলাম বক্কন, ৩৮নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড নেতা রাসেল, বগুড়া জেলাধীন শহর শাখার সদস্য ও ১৬নং ওয়ার্ড যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সোহেল হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মিরসরাই পৌর যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আব্দুল্লাহ আল ফয়সালসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও বরগুনা জেলা আহবায়ক মনিরুজ্জামান মনিরকে না পেয়ে তার ছোট ভাইকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
ক্স জাতীয়তাবাদী কৃষকদল ঃ চট্রগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ লোকমান, মোঃ ফোরকান চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানা কৃষকদলের সদস্য সচিব মোঃ সাইফুল ইসলাম, মগুরা জেলাধীন শ্রীপুর উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ ইকরাম হেসেন, মাগুরা সদর জগদাল ইউনিয়ন কৃষকদলের সহ-সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, মাগুরা সদর থানার মগি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নায়েব আলী,রুপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক, মোঃ ফারুক হোসেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহিম, গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আল-আমিন ও রংপুর সদর ৪ নং চন্দনকাঠ ইউনিয়ন কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ ইউসুফ মিয়াসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ক্স জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঃ তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মাজদুক হাসান শ্রাবণকে গতকাল উত্তরা থেকে তুলে নিয়ে গেছে ডিবি পুলিশ। এছাড়া টাঙ্গাইল শহর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম ইমন, পবা উপজেলা ছাত্রদল নেতা তাফসির হোসেন, ফরিদপুর শহর ছাত্রদল নেতা সুজন, যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিফতাহ উদ্দিন শিকদার ও ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলা, হামলা ও আহত ঃ
ক্স জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ জেটেব কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জি. নাসির উদ্দিন সমুন মোড়লের উপর যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা গতকাল সন্ধ্যায় গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করে। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
ক্স পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও বর্তমানসহ ৬ বারের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বাদশার বাসায় গতরাত ২ ঘটিকার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশী চালিয়ে তাকে না পেয়ে তার বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর ও পরিবারের সদস্যদের সাথে দূর্ব্যবহার করে চলে যায়। এছাড়াও পাবনা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ সাগরের বাসায় গতরাত ৩ টার সময় পুলিশ তল্লাশীর নামে ভাংচুর করে চলে যায়।

 এপর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের
মোট গ্রেফতার : ৩১০ জনের অধীক নেতাকর্মী।
মোট মামলা : ০৭ টি
মোট আসামী : ৯৭৫ জনের অধীক নেতাকর্মী (এজাহার নামীয়সহ অজ্ঞাত)
মোট আহত : ১২ জনের অধীক নেতাকর্মী।
 ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মহাসমাবেশের ৪/৫ দিন পূর্ব থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত মোট
গ্রেফতার : ১৩২১০ জনের অধীন নেতাকর্মী
মোট মামলা : ২৯৬ টির অধিক
মোট আহত : ৪১৩৩ জনের অধিক নেতাকর্মী
মৃত্যু : ১৪ জন (সাংবাদিক ১ জন)

গত ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০২৩ তারিখ হতে অদ্যাবধি বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ-

মোট গ্রেফতার : ১৬১৯১ জন
মোট মামলা : ৬৮৯ টির অধিক
মোট আসামী : ৫৭৫২৩ জন
মোট আহত : ৬২২৪ জনের অধীক নেতাকর্মী
মোট মৃত্যু : ১৪ জন (সাংবাদিক ০১ জন)

মিথ্যা মামলায় সাজা : মোট ১৮টি মামলায়ঃ ৯ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ ও প্রায় ১৩৫ জনের
অধিক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ