বিএনপি নেতাদের মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা মানায় না : এসএম কামাল - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ২:১৬, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিএনপি নেতাদের মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা মানায় না : এসএম কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২২ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২২ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ

 

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, বিএনপির আমলে সাংবাদিক হুমায়ুন কবির বালু, মানিক সাহাকে হত্যা করা হয়েছে। ২০০১-২০০৬ সাংবাদিকদের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক রাষ্ট্র ছিল বাংলাদেশ। সে সময়ে ১৬ জন সাংবাদিক খুন হন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা হয় পাঁচ শতাধিক। তাই তাদের (বিএনপি) নেতাদের মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা মানায় না। 

আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরাম (কেডিজেএফ)- ঢাকার বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 
 
এসএম কামাল হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার শাসনামলে সাংবাদিকদের কল্যাণে বহুমুখী কাজ করেছেন। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে সেখানে অনুদান দিয়েছেন। করোনাকালে এককালীন ১০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যারা ধারণ করে তাদের এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অপরিহার্য।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কাজী আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন তুহিনের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন নিউজ২৪ টিভির নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা, মাছরাঙা টিডির বার্তাপ্রধান রেজওয়ানুল হক রাজা, বিএফইউজের সহ-সভাপতি মধুসূদন মণ্ডল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী, সিনিয়র সাংবাদিক আশীষ কুমার দে, ৭১ টিভির নাদিয়া শারমিন প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে খুলনা বিভাগের তিন জন নির্বাচিত হওয়ায় তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তারা হলেন- সভাপতি মোরসালিন নোমানী, কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ ও কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম মুস্তাফিজুর রহমান সুমন। 

বিশেষ সাধারণ সভায় বর্তমান কমিটির মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত এবং এই সময়ের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ