বিচারপতি খায়রুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত: ফখরুল - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:১৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিচারপতি খায়রুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৪, ২০২৫ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৪, ২০২৫ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি:সংগৃহীত
দেশের রাজনৈতিক সংকট তৈরিতে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক শতভাগ দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খায়রুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়। তার মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়ে যায়।

ফখরুল বলেন, বিচারপতি খায়রুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ওই জায়গাটাতে বসে রাষ্ট্রের ক্ষতি করতে না পারে। তার রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিধানটা বাতিলকে পার্মানেন্ট করা হয়েছে, যেটা বাংলাদেশের পরবর্তীকালের রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খায়রুল হকের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, তিনি বাংলাদেশের একজন বড় শত্রু। তিনি বাংলাদেশের একটা বিশাল ক্ষতি করেছেন। একটা বিরাট পদে থেকে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করার ব্যাপারে দায়িত্বে ছিলেন। সেখানে তিনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যাপারে তার দেওয়া রায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গেছে। বিলম্ব হলেও তার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, সেজন্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ। সঠিকভাবে তার তদন্ত হবে সব বিষয়গুলোর এবং সঠিকভাবে তার বিচার কার্য সম্পাদন হবে— সেটাই আমরা আশা করি।

মির্জা ফখরুল বলেন, শিশু একাডেমির ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্য কথাবার্তা চলছে বা এ ধরনের প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জেনেছি। আমরা এটার বিরোধিতা করি। বিরোধিতা করি কারণ এটি শিশুদের একটি প্রতিষ্ঠান, যেটা দিয়ে শিশুদের বেড়ে ওঠা, তাদের মানসিকতা তৈরি, তাদের এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাকটিভিটি গড়ে ওঠে। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি উদ্যোগ। তিনি এই শিশু একাডেমি নির্মাণ করেছিলেন এবং সারা বাংলাদেশেই এর শাখা আছে। ভবনটিকে সরানো একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না। এ ব্যাপারে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো— আমরা চাই না শিশু একাডেমির ভবনটি সেই জায়গা থেকে স্থানান্তর করা হোক বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া হোক।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ