বিজয়ের প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে: ১২ দলীয় জোট - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:০২, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিজয়ের প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে: ১২ দলীয় জোট

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, আগস্ট ১১, ২০২৩ ৬:১৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, আগস্ট ১১, ২০২৩ ৬:১৩ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

সরকারের পদত্যাগ এবং বিজয়ের প্রতিধ্বনি পাওয়া যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। তারা বলেন, অবিলম্বে বর্তমান সরকারকে বিদায় নিতে হবে। তাছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আজ শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগরে গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

১২ দলীয় জোট প্রধান, জাতীয় পার্টির (জাফর) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে চলমান সরকার পতনের আন্দোলনে সকল দল ও জোটের যুগপৎ কর্মসূচির আওতায় আজকের এই গণমিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশ এবং দুনিয়া দেখছে দেশের সিংহভাগ মানুষ শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ ও মিছিলের মাধ্যমে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জনগণের ভোটের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন চলবে।

জোটের মুখপাত্র ও কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীর প্রতীক) বলেন, বিদেশিদের ওপর ভরসা করে হাসিনা সরকারের পতন ঘটানো বাস্তব নয়। সবাইকে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। আজকে দেশে ব্যাংক লুটপাট চলছে। সরকার অর্থনীতিতে ডাকাত ও চোর। দেশের ছয়টি ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। এদের তো ফাঁসি হওয়া উচিত। তাহলে আর পদত্যাগ করা লাগবেনা। আমরা এই দাবি আদায় পর্যন্ত রাজপথে আছি এবং থাকবো।

এ সময় বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ ভেঙে দিয়ে তত্ত্বাবধাযক সরকার গঠনের পক্ষে সমগ্র জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। দেশবাসী আজ তত্বাবধায়ক সরকারের অপরিহার্যতা অনুধাবন করতে পারছে। সবাই জানে, সবাই বলছে এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। এই সরকার ২০১৪ ও ২০১৮ সালে পুরো দেশবাসী এবং দুনিয়াকে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে হাসিনা সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

‘বিনা ভোটের অবৈধ সরকার জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেড় দশক ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত করে দেশকে লুটপাটের স্বর্গ বানিয়েছেন। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করে ফেলেছে।’

তারা বলেন, বিরোধী দলের উপর হামলা মামলা দমন-পীড়ন খুন গুম করে প্রতিপক্ষ নিধনে নিষ্ঠুরতম ভূমিকা পালন করেছে। জাতি অবিলম্বে এই ক্ষমতালিপ্সু অবৈধ সরকারের পদত্যাগ চায়। গায়ের জোরে ক্ষমতা দখলকারী এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগই পারে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনতে।

সমাবেশ ও গণমিছিলে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় পার্টির মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় দলের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) চেয়ারম্যান শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাশেদ প্রধান, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান ড. জাভেদ মো. সালেউদ্দিনসহ ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ