বিতর্কিত নির্বাচন ও ব্যবসায়ীদের আধিপত্য - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:০২, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিতর্কিত নির্বাচন ও ব্যবসায়ীদের আধিপত্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২৪ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২৪ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

 

রাজেকুজ্জামান রতন

সব ক্ষমতা এক কেন্দ্রে রেখে রাজতান্ত্রিক স্বেচ্ছাচারের পরিবর্তে ক্ষমতার বিভাজনতত্ত্ব নিয়ে এসেছিলেন মতেস্কু। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনসভা, বিচার বিভাগ আর প্রশাসন রাষ্ট্রের এই তিনটি অঙ্গ যদি স্বাধীন এবং পরস্পরের পরিপূরক থাকে, তবেই ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা হতে পারে। একটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তিন অঙ্গের অন্যতম হলো সংসদ বা আইনসভা। সেই আইনসভার সদস্য নির্বাচন তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংসদ সদস্য নির্বাচনের মহাযজ্ঞকে বলা হয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এগারোটি জাতীয় নির্বাচন শেষে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন শেষ হলো, কিন্তু নির্বাচন যে বিতর্কের জন্ম দিয়ে গেল তা সহজেই শেষ হবে না। ক্ষমতাসীনরা বলছেন, অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন তারা, বিরোধী পক্ষ বলছেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সব অঙ্গকে কাজে লাগিয়ে অবাধে সুনিয়ন্ত্রিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেছে, যা নির্বাচন থেকে গণতন্ত্রকে বিলুপ্ত করে দিয়েছে। এই বিতর্ক কতদিন চলবে তা জানা নেই, তবে আগামী দিনে নির্বাচনের প্রশ্ন এলে ২০২৪ সালের নির্বাচন একটি বিশেষ গুরুত্ব নিয়েই আলোচিত হবে।

এবারের নির্বাচন ছিল অনেক দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ। বিতর্ক সত্ত্বেও নির্বাচন হয়েছে, সরকার এবং মন্ত্রিসভাও গঠিত হলো। ক্ষমতাসীন সরকার চাইলে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে পারে তার সর্বশেষ নজির এবারের নির্বাচন। এর আগে বর্জন প্রতিরোধ সত্ত্বেও ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯৬-এর ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং ২০১৪ সালে নির্বাচন হয়েছিল। কিন্তু এবারের নির্বাচন সেসবের তুলনায় অনেকখানি আলাদা। এবার একই দলের নেতাকর্মীরা ভাগ হয়ে পাল্টা প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করেছেন, নিজের দলের বহুদিনের আবেগময় প্রতীকের বিরুদ্ধে প্রচারণা করেছেন, জোটসঙ্গীরা ভোটসঙ্গী হতে পারেননি, তাদেরও জোটের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছে। নতুন এবং হঠাৎ গজিয়ে ওঠা দল এবং কি এক আশায় আকস্মিক দাঁড়িয়ে যাওয়া নেতারা মাঠে ছিলেন। ভোট চাওয়ার প্রতি আগ্রহ না থাকলেও ক্ষমতাসীন দলের অনুগ্রহ পাওয়ার আকুতি ছিল তাদের। বিরোধী দল কারা হবেন সে ব্যাপারে অনিশ্চয়তা, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৬২ জন বিজয়ী হয়েছেন। তাদের সংসদে অবস্থান কী হবে এ নিয়ে চিন্তা বা দুশ্চিন্তা তো আছেই, সঙ্গে নতুন আশঙ্কা তৈরি করল। এই দৃষ্টান্ত যদি পরবর্তী সময়ও ক্ষমতাসীন দল অনুসরণ করতে থাকে তাহলে গণতন্ত্র থাকবে তলানিতে, জনগণকে ভুগতে হবে সব দিক থেকে আর রাষ্ট্রের চরিত্র হয়ে উঠবে স্বৈরতান্ত্রিক। এবারের নির্বাচন বিরোধী দলগুলোর বর্জনের পরও ৫৭১ জন কোটিপতি নির্বাচন করেছেন। কিন্তু প্রার্থীদের মধ্যে রাজনীতিবিদের সংখ্যা ছিল মাত্র ২.৮৬ শতাংশ। স্বাধীনতার পর থেকে নির্বাচনে ও সংসদে কোটিপতিদের অংশগ্রহণ বাড়ছে আর রাজনীতিবিদের সংখ্যা কমছে। তবে এবার তা নতুন রেকর্ড করেছে। যেভাবে টাকাওয়ালারা সংসদ সদস্য হতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন তাতে নির্বাচন উৎসবের পরিবর্তে জনগণের কাছে আতঙ্ক আর প্রার্থীদের জনগণের টাকায় আখের গোছানোর প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে। জনমত বা জনচেতনা সৃষ্টির পথ দিন দিন কণ্টকাকীর্ণ হয়ে পড়ছে।

সংসদ সদস্যগণ সত্য কথা বলবেন এবং সঠিক কাজ করবেন এই প্রত্যাশা নিশ্চয়ই অমূলক নয়। কিন্তু জনগণের ধারণা তারা সম্পদের ব্যাপারে সত্য কথা বলেন না। তারপরও নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের কারও অবৈধ আয় ও সম্পদ থাকলে আইনি প্রক্রিয়ায় বাজেয়াপ্ত করা হলে অন্তত আইনের চোখে সবাই সমান এই কথাটার একটা প্রমাণ থাকত। দেশের আইনে (ল্যান্ড রিফর্ম অ্যাক্ট, ২০২৩) একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ (কৃষিজমির ক্ষেত্রে ৬০ বিঘা এবং অকৃষি জমিসহ যা ১০০ বিঘা পর্যন্ত যেতে পারে) ভূমির মালিক হতে পারে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ১৩ জন সংসদ সদস্যের কাছে আইনি সীমার বাইরে জমি আছে। এই জমির পরিমাণ ৮০০ একর (৩ বিঘায় ১ একর বিবেচনায়)। এই জমির ব্যাপারে কিছু করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি?

দ্বাদশ সংসদের সদস্যদের নির্বাচনী হলফনামা থেকে দেখা যায়, অস্থাবর সম্পদের ভিত্তিতে সংসদ সদস্যদের প্রায় ৮৫ শতাংশই কোটিপতি (অস্থাবর সম্পদ মূল্যের ভিত্তিতে)। একশ কোটি টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে এমন সংসদ সদস্যের সংখ্যা ১৫। দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের অস্থাবর সম্পদের সম্মিলিত মূল্য প্রায় ২২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি। সর্বশেষ চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গড় অস্থাবর সম্পদের তুলনা করে দেখা গেছে, দশম সংসদের তুলনায় একাদশ সংসদের সদস্যদের সম্পদ বেড়েছে ৭৫ শতাংশের বেশি। যে সংবিধানের কথা ঘন ঘন উচ্চারিত হয় ক্ষমতাসীনদের মুখে, সেই সংবিধানে আছে অনুপার্জিত আয় ভোগ করা যাবে না। কিন্তু বিধিবহির্ভূতভাবে অর্জিত এই সম্পদ এবং সম্পদের মালিকদের কী হবে? তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্পদের বৃদ্ধির হার প্রায় (৭০ দশমিক ৪১ শতাংশ)। এই আয় এবং সম্পদের উৎস কী? দেখা যাচ্ছে, নতুন সংসদ সদস্যদের ৬৫ শতাংশই ব্যবসায়ী যা সর্বশেষ চারটি সংসদের মধ্যে সর্বোচ্চ। নবম জাতীয় সংসদে ৫৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ, দশম জাতীয় সংসদে ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং একাদশ জাতীয় সংসদে ৬১ শতাংশ সংসদ সদস্যই ছিলেন ব্যবসায়ী। আর স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের সদস্যদের মধ্যে ব্যবসায়ীর হার ছিল ১৮ শতাংশ। নির্বাচনে প্রার্থী যারা ছিলেন তাদের আয়ের উৎস কী ছিল? ১ হাজার ৯৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ১৪২ জনই ছিলেন ব্যবসায়ী (৫৮ দশমিক ৭১ শতাংশ)। আওয়ামী লীগের ২৬৫ জনের মধ্যে ১৭০ জন, জাতীয় পার্টির ২৬২ জনের মধ্যে ১৭৩ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৩৩ জনের মধ্যে ৩০২ জনই ব্যবসায়ী। আর নির্বাচনের পর দেখা যাচ্ছে, ২৯৮ আসনে বিজয়ীদের মধ্যে ব্যবসায়ী ১৯৪ জন। তার মধ্যে আওয়ামী লীগের ১৪৫ জন, জাতীয় পার্টির ৯ জন, জাসদের ১ জন, কল্যাণ পার্টির ১ জন এবং স্বতন্ত্র ৩৮ জন রয়েছেন। এর বাইরে আরও অন্তত ৫ জন ব্যবসায়ী নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন সব মিলিয়ে অন্তত ১৯৯ জন ব্যবসায়ী এবার জাতীয় সংসদে সদস্য হিসেবে বসতে যাচ্ছেন। এটাই শেষ নয়, এর বাইরে নির্বাচিত যে ৪০ জন নিজেদের রাজনীতিবিদ ও কৃষিজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তাদের মধ্যে অনেকের মূল পেশা ব্যবসা।

সংসদে ব্যবসায়ী বাড়ছে সেটা তো দেখছি, তাহলে কমছে কারা? রওনক জাহান তার বাংলাদেশ পলিটিকস : প্রবলেমস অ্যান্ড ইস্যুজ বইয়ে লিখেছেন, প্রথম জাতীয় সংসদে সাড়ে ২৫ শতাংশ আইনজীবী, ২৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ ব্যবসায়ী, ১৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ কৃষক, শিক্ষক ৯ দশমিক ৮৯ এবং ১২ দশমিক ৩৬ শতাংশ রাজনীতিবিদ ছিলেন। ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদে ব্যবসায়ীদের হার বেড়ে ৩৮ শতাংশ হয়। আর ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ৩০০ জন সদস্যের মধ্যে ৬২ শতাংশই ছিলেন ব্যবসায়ী। বাকিদের মধ্যে আইনজীবী ১৪ শতাংশ, কৃষিজীবী ৪ শতাংশ এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন ৭ শতাংশ। ফলে রাজনীতিবিদরা সংসদে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। রাজনীতির ব্যবসায়িকীকরণ যেমন হয়েছে, ব্যবসায়ীদের রাজনীতিকীকরণও তেমনি বিস্তৃত হয়েছে। ফলে রাষ্ট্রের নীতিকাঠামো দখল হয়ে যাচ্ছে। ব্যাংকিং, পোশাকশিল্প বা বিদ্যুতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যবসায়ীরা ঠিক করছেন নীতিকাঠামো কী হবে। গত জাতীয় সংসদে ব্যাংকিং কোম্পানি আইনে যেসব পরিবর্তন আনা হয়েছিল, তা মন্ত্রিসভার বৈঠকেও প্রস্তাব করা হয়নি। সংশোধিত আইনে ব্যাংক মালিকদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। ঋণখেলাপির মতো বিষয়ে নীতি ব্যবসায়ীরাই ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলাদেশে এখন ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি ও ব্যবসা একাকার হয়ে গেছে, ব্যবসায়ীরা রাজনীতিতে আসছেন, সম্পদ বাড়ানোর জন্য তারা রাজনীতিতে বিনিয়োগ করছেন মুনাফার লক্ষ্যে।

এ ছাড়াও শুধু তৈরি পোশাক খাতের অন্তত ১৫ জন ব্যবসায়ী এবারের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। সালমান এফ রহমান, টিপু মুনশি ও এ কে আজাদ ছাড়া রেনেসাঁস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা (রাজশাহী-৬), পোশাক খাতের বিকেএমইএর সভাপতি (নারায়ণগঞ্জ-৫), বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি (খুলনা-৪), ওয়েল গ্রুপের চেয়ারম্যান (চট্টগ্রাম-৮), শাশা ডেনিমের চেয়ারম্যান (চট্টগ্রাম-৫), মণ্ডল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সিরাজগঞ্জ-৬), নিপা গ্রুপের চেয়ারম্যান (ঢাকা-১৮), তুসুকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), ফেবিয়ান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা (কুমিল্লা-৯), স্প্যারো গ্রুপের চেয়ারম্যান (সিরাজগঞ্জ-৬), স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চট্টগ্রাম-১৬)। এ ছাড়া নির্বাচনে গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান (নারায়ণগঞ্জ-১), সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংকের চেয়ারম্যান (কুমিল্লা-৬), আফিল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা (যশোর-১), জেমকন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান (যশোর-৩) প্রমুখ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। সংসদ সদস্যদের মধ্যে অন্তত ১৬ জনের ১০০ কোটি টাকার বেশি স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এই ১৬ জনই পেশায় ব্যবসায়ী। সব মিলিয়ে সংসদে ২৫৪ জন সদস্য আছেন, যাদের অস্থাবর সম্পত্তি ১ কোটি টাকার বেশি আর স্থাবর সম্পত্তি হিসাব করলে কত হবে তা অনুমান করাও কঠিন।

এরা টাকা ছড়িয়েছেন ভোটার টানার জন্য। কিন্তু এত কিছুর পরও ভোটার অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক থেকেই গেল। ভোটার উপস্থিতি ২৮ শতাংশ নাকি ৪০ শতাংশ সেই বিতর্ক থাকলেও সাধারণভাবে অনেকেই ধারণা করে বলছেন ভোটার উপস্থিতি ২০ শতাংশের বেশি হয়নি। আর অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কীভাবে বলা হবে? যেখানে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরাই অংশ নেয়নি, সেখানে অংশগ্রহণমূলক কীভাবে হবে। আর তাতে নির্বাচন স্বচ্ছ হলেও গ্রহণযোগ্য হওয়ার পথ কি খোলা আছে? ফলে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে তা চলতে থাকবে। এই বিতর্কে আগুন দিয়েছেন সরকার সহযোগী জাতীয় পার্টির নেতারা। তারা বলেছেন, সরকার যাকে বিজয়ী করতে চেয়েছে তাকেই বিজয়ী করেছে। সংসদে ব্যবসায়ী বেড়ে যাওয়া, কোটিপতি বেড়ে যাওয়া এবং রাজনীতিবিদ কমে যাওয়ায় সংসদ কার স্বার্থ রক্ষা করবে তা বলাই বাহুল্য। ফলে গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা সুরক্ষিত হয়েছে এই দাবি এবং আইনগতভাবে বৈধ হয়েছে এভাবে যুক্তি করলেও জনগণের কাছে অগ্রহণযোগ্য বলেই বিবেচিত হবে এই নির্বাচন।

লেখক: রাজনৈতিক সংগঠক ও কলাম লেখক

rratan.spb@gmail.com

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ