বিদেশি নেতাদের মতবাদ এত জনপ্রিয় হল কেন, প্রশ্ন আলালের
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
দেশের এত জনপ্রিয় নেতা থাকার পরও ছেলেদের বিদেশি নেতাদের মতবাদ এত জনপ্রিয় হল কেন—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, এটা দেখার পর আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে—আসলে এর মূল কারণ কী?
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গণতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এমন প্রশ্ন তুলেন।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এই দেশে মাওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়ার মত এত নেতা থাকার পরও তারা বাহিরের নেতাদের এত পছন্দ করার কারণ কী? তা জাতির সামনে পরিষ্কার করলে ভালো হয়। নাহলে এই প্রজন্ম বিভ্রান্তিতে থাকবে।
তিনি বলেন, তুরস্কের এরদোয়ানের পর একে পার্টি, পাকিস্তানের ইমরান খানের তেহরিক-এ- ইনসাফ এবং দিল্লির কেদিওয়ালের দলের নাম আম আদমি পার্টি। তিনটাই কিন্তু বাংলাদেশের সীমানার বাহিরে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা এই তিনটি দলের আদলে তাদের দল ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা কর্মসূচি নির্ধারণ করছে।
তিনি আরও বলেন, আমার কাছে অবাক লাগে আমাদের যে ছেলেরা এই মাটিতে বেড়ে উঠলো, এই দেশের মাটির ঘ্রাণ তাদের শরীরে লেগে আছে—তাদের কাছে বিদেশি নেতাদের মতবাদ এত জনপ্রিয় হল কেন? এটা দেখার পর আমার আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে—আসলে এর মূল কারণ কী?
যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, এই দেশে মাওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়ার মত এত নেতা থাকার পরও তারা বাহিরের নেতাদের এত পছন্দ করার কারণ কী? তা জাতির সামনে পরিষ্কার করলে ভাল হয়। নাহলে এই প্রজন্ম বিভ্রান্তিতে থাকবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আন্দোলনের চেয়েও পালানোর পিছনে সব থেকে বড় যে উপসর্গ ছিলো—তা হলো সমাজের সকল পেশার মানুষ তার ওপর অতিষ্ঠ ছিলো। কিছু সুবিধা ভোগী ছাড়া।
সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, শেখ হাসিনা পালানোর পিছনে সবার ঐক্য বদ্ধ হয়ে আন্দোলন করার ফল। বিএনপি এটি এককভাবে দেড় যুগ ধরে করে আসছে। তাই এই জায়গায় এসে ঠেলাঠেলি আর খোঁচাখুঁচি সমর্থন যোগ্য না।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, সেনাপ্রধান বলেছিলেন আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে ক্যান্টনম্যান্টে ৬২৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এবং এটিও বলছিলেন আরও যদি কেউ নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় নিতে চায় তাহলে তারা আশ্রয় দিবে। কিন্তু কথা হলো এখন তারা কোথায়? এ নিয়ে অনেক গুঞ্জন রয়েছে। সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা এবং সরকারি কর্মকর্তারা তাদের নিরাপদভাবে বের করে দিয়েছেন। নাহলে পরবর্তীতে এই আশ্রয়কৃতরা কোথায় তা পরবর্তীতে জানানো হলো না কেন!
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কলিম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ, শাহজাহান মিয়া সম্রাট সহ প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ