বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে আরো তৎপর হতে হবে: রিজভী - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৭:১৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে আরো তৎপর হতে হবে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ৮:০২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ৮:০২ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন দেশে লোডশেডিং হচ্ছে, গ্রামে ভয়াবহ আকারে লোডশেডিং হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে বা সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছেন তাদেরকে সংকট মোকাবেলায় বড় ধরনের ড্রাইভ দিতে হবে।

তিনি বলেন, কারণ হচ্ছে প্রচন্ড গরম পড়েছে।রাজশাহীতে গতকাল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। এই সংকট মোকাবেলা করতে সরকারকে আরো তৎপর হতে হবে। বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে আরো তৎপর হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দল আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। এ সংকট মোকাবেলার জন্য সরকারের মন্ত্রীগুলোকে তীক্ষ্ণ হতে হবে। শুধুমাত্র কথা বললে হবে না। মানুষকে আশ্বস্ত করতে হবে। দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করতে হবে। নানা কারণে এটা হয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে, যুদ্ধের কারণ। আপনারা যে সংকট মোকাবেলা করছেন। আপনারা যে এ ব্যাপারে সচেতন সেটা মানুষকে জানাতে হবে। গরম মোকাবেলা করার জন্য সারাদেশে যে তাপ প্রবাহ চলছে সেটা মোকাবেলা করার জন্য, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সংকট নাই বললে চলবে না।

জনগণের দ্বারা নির্বাচিত বিএনপির জোট সরকার যে কাজ করছেন আমরা যেটা দৃশ্যমান দেখছি, অন্যান্য মন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও, বিদ্যুতের ক্ষেত্রে, জ্বালানির ক্ষেত্রে, সংকট যে মোকাবেলা করছেন সেটাকে দৃশ্যমান করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক কারণেই তো জ্বালানি সংকট এটা বিএনপি’র কোন ব্যর্থতা নয়। যদি বিএনপি সরকারের ব্যর্থতার কারণে হতো, তাহলে একটা কথা ছিল। যারা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন পাঁচ ঘন্টা ছয় ঘন্টা। অনেকে বিরক্ত হয়ে ভিডিও ভাইরাল করছেন যে দরকার হলে দাম বাড়ান তবুও আমরা এই কষ্ট করতে চাই না। এই বক্তব্যগুলো আসার কারণে এই সত্যটা হচ্ছে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধ আবার পুনরায় শুরু হবে কিনা সেকেন্ড রাউন্ড এটা নিয়ে পাকিস্তানের আলোচনা চলছে। একটা টানটান অবস্থা বিরাজ করছে। ইরান থেকে জাহাজগুলো আসতে পারতেছে না যার কারণে জ্বালানি তেলের সংকট হচ্ছে। কিন্তু এটা এটা কৃত্রিম সংকট। এটা নিরসন করা কোন কঠিন না। এক্ষেত্রে যে দাম বেড়েছে এটা খুবই ন্যাচারাল কিছু কিছু এমপি মন্ত্রীরা পার্লামেন্টে বলেছেন এটাকে সংকট বলা যাবে না যেটা সত্য সেটা বলুন। এই সংকট তো বিএনপির কারণে হয়নি বিএনপি সরকারের কারণেও হয়নি।

তিনি বলেন, সংকটা আন্তর্জাতিক কারণে হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এটা হয়েছে। সুতরাং মানুষের প্রতিধ্বনিতেই উচ্চারিত হচ্ছে জ্বালানির দামটা বাড়াতে হবে। না হলে তো ভর্তুকিটা এমন পর্যায়ে দাঁড়ায় যে সামনের বাজেটে সমস্যা হয়।

সংকট থাকবেই, সংকট মোকাবেলা করতে হবে। অর্থমন্ত্রী বলছেন অর্থনীতির সব সূচক গুলোই নিম্নমুখী। কিন্তু এই সংকটটা পার্মানেন্ট সংকট না, ন্যাচারাল ডিজাস্টার না। বিরোধীদল যাই বলুক না কেন? যে সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই নির্বাচনী কমিটমেন্টগুলো পূরণের চেষ্টায় সচেষ্ট থাকে, এই সরকার সংকট মোকাবেলা করে মানুষকে স্বস্তিতে রাখবে এটা আমরা সবাই বিশ্বাস করি।

অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা ফরহাদ হালিম ডোনার, ড. সুকোমল বড়ুয়া, অধ্যাপক ডক্টর আব্দুস সাত্তারসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ