বিমা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৫৭, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিমা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, মার্চ ১, ২০২৩ ১:২৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, মার্চ ১, ২০২৩ ১:২৮ অপরাহ্ণ

 

নিজেকে বিমা কোম্পানি পরিবারের একজন সদস্য আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো কারণে এই খাতের বদনাম হোক সেটা তিনি চান না। এজন্য বিমা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (১ মার্চ) জাতীয় বিমা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম কর্মজীবন শুরু হয় একটি বিমা কোম্পানিতে চাকরির মাধ্যমে। এজন্য এই খাতের সঙ্গে তাদের পরিবারের আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। বিমা খাতের উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু ১৯৬৩ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার ছিলেন। সেই সময় তিনি মাসে বেতন পেতেন প্রায় দুই হাজার টাকা। জিন্নাহ এভিনিউয়ে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) ভাম এন্ড কোম্পানির পাশের বিল্ডিংয়ের দোতলায় ছিল আলফা ইন্স্যুরেন্সের অফিস।

বাবার স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে আব্বার চাকরির কারণে আমাদের পরিবারে একটা স্থিতিশীল পরিবেশ এসেছিল। এই সময়টি আমাদের জন্য ভালো সময় ছিল। আমরা আব্বাকে কাছে পেতাম। ভালো টাকা বেতন পেতেন। এজন্য ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে আমাদের পরিবারের একটা আত্মার সম্পর্ক আছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধুর ওপর আইয়ুব খানের সরকার বিধিনিষেধ দিয়েছিল। তিনি চাইলেই যেকোনো স্থানে যেতে পারতেন না। তবে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে বঙ্গবন্ধু জেলায় জেলায় যেতেন। এর মাধ্যমে মানুষকে সংগঠিত করেন মুক্তি সংগ্রামের পক্ষে। এতে স্বাধীনতা আন্দোলন ত্বরান্বিত হয়। এজন্য বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির একটা যোগসূত্রতা আছে বলে মনে করেন সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা জানান, বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক যে ছয় দফা প্রণয়ন করেন সেটা ওই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অফিসে বসেই করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিমা নিয়ে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি এর সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণা চালানোর তাগিদ দেন। বিমা দাবি পরিশোধের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতেও বলেন। যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে টাকা না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, কারও চাপে মাথা নত করবেন না, সেটা মন্ত্রী-এমপি যিনিই হোক না কেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তার সরকার বিমা আইন যুগোপযোগী করেছে। এছাড়া এই খাতকে ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ