বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের দাম কিছুটা কমেছে: জাতিসংঘ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:৩০, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের দাম কিছুটা কমেছে: জাতিসংঘ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জুন ৩, ২০২২ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জুন ৩, ২০২২ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ

 

বাণিজ্য ডেস্ক

গত মার্চ মাসে বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এ অবস্থায় সারা বিশ্বে এপ্রিলের মতো মে মাসেও খাদ্যদ্রব্যের দাম কিছুটা কমেছে। এ নিয়ে টানা দুই মাস খাদ্যদ্রব্যের দাম কমল। তবে গত দুই মাসে খাদ্যদ্রব্যের দাম কমে এলেও গমজাতীয় শস্য ও মাংস উভয়ের দাম এখনো চড়া। শুক্রবার জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এ তথ্য জানায়। খবর রয়টার্স।

এফএও যে সূচক প্রকাশ করেছে, তাতে গত মাসে খাদ্যদ্রব্যের দাম কিছুটা কমতে দেখা গেছে। এতে দেখা গেছে, মে মাসে খাদ্যপণ্যের বৈশ্বিক গড় দামের সূচক ছিল ১৫৭ দশমিক ৪ পয়েন্ট, যা এপ্রিলে ছিল ১৫৮ দশমিক ৩ পয়েন্ট। মার্চ মাসে এ সূচক গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ১৫৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে।

খাদ্যপণ্যের দামের ক্ষেত্রে মাসের ধারাবাহিকতায় সূচক কিছুটা নিম্নগামী হলেও গত বছরের মে মাসের তুলনায় এখনো এটি ২২ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। এ মূল্যবৃদ্ধির জন্য ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলাকে কিছুটা দায়ী বলে মনে করা হয়।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার পূর্বাভাস বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিশ্বে খাদ্যশস্যের উৎপাদন কমবে। টানা চার বছর বিশ্বে উৎপাদনের ঊর্ধ্বগতির পর এবারই প্রথম খাদ্যশস্য উৎপাদন কমতে পারে। ২০২১ সালের তুলনায় এ অর্থবছরে ১ কোটি ৬০ লাখ টন খাদ্যশস্য কম উৎপাদন হতে পারে।

গত মাসে দুগ্ধজাত পণ্য, চিনি ও ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা কমলেও মাংসের দামের সূচক সর্বোচ্চ রেকর্ড ছুঁয়েছে। এ সময় গমজাতীয় খাদ্যশস্যের সূচক ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে গমের সূচক বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। গত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এ বছর গমের দামের সূচক ৫৬ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থা বলছে, ভারত গম রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিলে এর দাম বেড়ে যায়। এ ছাড়া, ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার কারণে সেখানে উৎপাদন কম হওয়ায় বিশ্বে গমসংকটের উদ্বেগ রয়ে গেছে।

তবে এপ্রিল মাসের তুলনায় ভোজ্যতেলের দামের সূচক সাড়ে ৩ শতাংশ কমতে দেখা গেছে। এর পেছনে ইন্দোনেশিয়ার পাম তেল রপ্তানি থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি কাজ করেছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো কুলেন বলেন, ‘রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করে। এতে পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। তেলের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়ে বাজার সাবলীল রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ