ভারতীয় পণ্য বর্জনে সংহতি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে: রিজভী - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১০:৪০, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ভারতীয় পণ্য বর্জনে সংহতি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, মার্চ ২৪, ২০২৪ ২:২৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, মার্চ ২৪, ২০২৪ ২:২৯ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, একটি আওয়াজ বা শ্লোগান আজ সর্ব মহলে সমাধৃত সেটি হলো ভারতের পণ্য বর্জন। এ দেশের মানুষ এটি খুশি মতো তা করেননি, দীর্ঘ দিনের বঞ্চনা থেকে, অপমান লাঞ্চনা থেকে, ক্ষোভ থেকে তারা এটি তারা করছেন। কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি ভারতীয় পণ্য বর্জনের ঘোষনা দিতে পারেন কিন্তু সব মহলে, সব জনগণের মাঝে এটি আজ গ্রহযোগ্যতা পেয়েছে। সুতরাং ভারতীয় পণ্য বর্জনে আমরা যে সংহতি জানিয়েছি তা বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে, গণতস্ত্রের পক্ষে।

রবিবার(২৪ মার্চ) নয়াপল্টনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, আজকে ভারতের নীতিনির্ধারকরা বন্ধুতের কথা বলেন কিন্তু তারা বাংলাদেশের অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যা দিবেন না, প্রতিদিন সীমান্তে মানুষ হত্যা করেব, একতরফা বাণিজ্য করবেন তাতো হবে না। এই যে অন্যায়গুলো, এই যে অপকর্মগুলো এটি বাংলাদেশের মানুষকে প্রতিবাদী করেছে। ভারত বাংলাদেশের সাথে ভারসাম্যমূলক বাণিজ্য করেত চায় না তারা চায় বড়ভাই সূলভ আচরণ করতে।

তিনি বলেন, তারা জনগণের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় না একটি নিদ্ধিষ্ট দলের সাথে বন্ধুত্ব করতে হায়। আপনারা দেখেছেন তারা কিভাবে একটি ফ্যাসিবাদী সরকারকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। বাংলাদেশের স্বৈরশাসন কায়েম করতে সমর্থন দিচ্ছে। সে ২০১৪ সালে, ২০১৮ সালে কিংবা ২০২৩ সালের ৭ জানুয়ারী তারা একই ঘটনা ঘটিয়েছে। বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ জনগণের বিরুদ্ধে তারা অবস্থান নিয়েছে। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ সে ১৯৭২ সালে ভারতের একতরফা নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, তিনি পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য আন্দোলন করেছেন। এদেশের বাম রাজনৈতিক দলগুলো ভারতের একতরফা নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ভারতেকে তারা আদিপত্যবাদি শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে তারা তাদের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়েছে। সমালোচনা করেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও ভারতের কাছ থেকে ন্যায্য হিস্যা পেতে নানাভাবে কাজ করেছেন। সুতরাং ভারতীয় পণ্য বর্জনে আমরা যে সংহতি জানিয়েছি তা বাংলাদেমের জনগণের পক্ষে, গণতস্ত্রের পক্ষে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ