মনোনয়ন বাতিল: আপিলের ঘোষণা মনিরা শারমিনের
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ৮:০৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ৮:০৬ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
মনোনয়ন বাতিলের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জামায়াত জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান তার মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা দেন। এরপরই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মনিরা শারমিন।
তিনি বলেন, “রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমি আপিল করব। কারণ তারা আমার কাছ থেকে সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়েছিলেন। পরে আজ মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আমি আমার বক্তব্য পুরোপুরি উপস্থাপন করার সুযোগ পাইনি, তাই আমি শুনানির সুযোগ চাই।”
মনিরা শারমিন আরও বলেন, যে আইনের ভিত্তিতে তিন বছরের একটি সময়সীমার কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, সেটি তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এ সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এ বিষয়ে তার আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, প্রার্থিতা পুনর্বহালের জন্য আগামী রোববার (২৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আপিলের মাধ্যমে মনোনয়ন পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।
এর আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ওই সময় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয় এবং তাকে চাকরি সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে দশম গ্রেডের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি ব্যাংকের চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মনোনয়নপত্রে তিনি সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় বেতন গ্রহণের তথ্য উল্লেখ করেছেন। তবে পদত্যাগ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকায় তার মনোনয়ন বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণের পর অন্তত তিন বছর না পার হলে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না।
জনতার আওয়াজ/আ আ