মরমী কবি হাছন রাজার ১৬৭ তম জন্মজয়ন্তীতে আমাদের শ্রদ্ধা ও সন্মান - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১০:৪২, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

মরমী কবি হাছন রাজার ১৬৭ তম জন্মজয়ন্তীতে আমাদের শ্রদ্ধা ও সন্মান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৩ ২:২৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৩ ২:২৯ অপরাহ্ণ

 

মরমি কবি হাছন রাজার ১৬৭ তম জন্মদিন আজ। ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর (৭ পৌষ ১২৬১) সুনামগঞ্জ শহরের কাছে সুরমা নদীর তীরে লক্ষ্মণশ্রী পরগনার তেঘরিয়া গ্রামে জন্ম নেন তিনি। তার বাবা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী ছিলেন প্রতাপশালী জমিদার। মাত্র ১৫ বছর বয়সে হাছন জমিদারিতে অভিষিক্ত হন।

প্রথম দিকে অত্যাচারী হলেও পরে সবকিছু উইল করেন মানুষের জন্য। সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, রামপাশা, লক্ষ্মণশ্রী ও সিলেটের একাংশ নিয়ে পাঁচ লাখ বিঘার বিশাল অঞ্চলের জমিদার ছিলেন এ মরমি কবি। একসময় জমিদারি ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার খোঁজে নেমে পড়েন। মধ্য পঞ্চাশে এসে তিনি ভিন্ন এক মানুষে পরিণত হন। একসময় তিনি বিশ্বাস স্থাপন করেন, নিজের মধ্যেই সৃষ্টিকর্তার বাস।

তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে- আঁখি মুঞ্জিয়া দেখ রূপ রে, ‘আমি না লইলাম আল্লাজির নাম রে, লোকে বলে ঘরবাড়ি ভালানা আমার, আগুন লাগাইয়া দিলও কুনে হাছন রাজার মনে, গুড্ডি উড়াইল মোরে ও মৌলার হাতের ডুরি।

নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা মনে করেন, হাছন রাজার গান বিকৃত হচ্ছে, অনেক গান হারিয়ে যাচ্ছে।

তরুণ শিল্পী সামির পল্লব, ডিউক চৌধুরী ও অমিত বর্মণ বলেন, আমরা নতুন প্রজন্মের যারা লোকসংস্কৃতি নিয়ে কাজ করছি, তাদের অনেকেই হাছন রাজার গানের কথা ও প্রকৃত সুরে থাকছি না। তাতে হাছন রাজা যে ভাবনা নিয়ে গান লিখেছিলেন, তা প্রকাশ পায় না। সরকারি উদ্যোগেই হাছন রাজার গান এবং গানের সুর সংরক্ষণ করা জরুরি।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল বলেন, হাছন রাজার অনেক গান সংরক্ষণ করা হয়েছে। হাছন রাজা একাডেমি করার উদ্যোগ আছে সরকারের। ২০২২ সালে হাসনরাজার শততম মৃত্যুবার্ষিকীও ব্যাপকভাবে পালিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯০৭ সালে হাসন রাজার রচিত ২০৬টি নিয়ে গানের একটি সংকলন প্রকাশিত হয়। সংকলনটির নাম ছিল ‘হাসন উদাস। এর বাইরে আরও কিছু গান ‘হাসন রাজার তিনপুরুষ’ এবং ‘আল ইসলাহ্’ সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর হাসন রাজা মৃত্যুবরণ করেন। সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীতে তার মায়ের কবরের পাশে কবর দেওয়া হয় তাকে। তার এই কবরখানা তিনি মৃত্যুর আগেই নিজে প্রস্তত করেছিলেন।
দেশবরেণ্য ঐতিহাসিক মরমী কবি হাছন রাজার স্মৃতি ঐক্যবদ্ধভাবে ধরে রাখতে হবে।

মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা
চেয়ারম্যান
জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ