মহিয়সী নারীর প্রতিচ্ছবি ডা. জুবাইদা রহমান - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:০৮, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

মহিয়সী নারীর প্রতিচ্ছবি ডা. জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, আগস্ট ২, ২০২৩ ৪:৪৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, আগস্ট ২, ২০২৩ ৪:৪৮ অপরাহ্ণ

 

আমিরুল ইসলাম কাগজী ও অধ্যাপক ড মোর্শেদ হাসান খান

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা মেধাবী হৃদরোগ চিকিৎসক ডা.জোবায়দা রহমানকে ঢাকার একটি আদালত বুধবার, আগস্ট ২, ২০২৩, এক দুর্নীতি মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তাঁর অপরাধ ;তিনি ৩৫ লক্ষ টাকার এফডিআর এর অর্থের উৎস জানাতে পারেননি। তাঁর অবর্তমানে এই মামলার শুনানি এবং রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
এই মামলায় ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমানকে সমান সাজা দেওয়া হয়েছে। দুদকের মামলয় ডা. জুবাইদা রহমানের মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকেও আসামী করা হয়। কিন্তু হাইকোর্টে আপিল করা হলে মামলা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।
দুদকের মামলটি যে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বানানো তার প্রমাণ মেলে আদালতে বিভিন্ন সময়ে পিপি অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজলের যুক্তিতর্কে। তিনি ওপেন আদালতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামীর রাষ্ট্র নায়ক জননেতা তারেক রহমানকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেন উনি কেন এই মামলায় কোর্টে এসে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেননি। উনি তারেক রহমান জানেন অপরাধী। তারেক রহমান এখন ভার্চুয়াল লিডার সেজে দেশের বাহিরে বসে আছেন।
ডা. জুবাইদা রহমান সম্পর্কেও কটুক্তি করতে দ্বিধা করেননি এই পিপি। অথচ পিপির ভাষ্য মতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ৩৫ লক্ষ টাকার এফডিআর এর উৎসের সঠিক তথ্য বা ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। পিপির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, তার প্রমাণ মিলবে স্বামী তারেক রহমানের হিসাব বিবরণীতে।
জনাব তারেক রহমান ১৯৮২ সাল থেকে শুরু করে ২০০৬ সাল পর্যন্ত উনার সম্পদের বিবরণী প্রদান করেন। সেই সম্পদের বিবরণীর একটি অংশে দুদক আপত্তি প্রদান করে সেটার ভিত্তিতে ঢাকার কাফরুল থানায় ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ৫২(৯)০৭ নং মামলা দায়ের করে বলা হয় ডাঃ জুবাইদা রহমানের নামে থাকা ৩৫ লক্ষ টাকার এফডিআর উনি স্বামী তারেক রহমানের টাকায় করেছেন।
সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ ছিল, এই এফডিআরের টাকা ডা. জুবাইদা রহমানের মাতা বিশিষ্ট সমাজসেবিকা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু তাদের সম্পত্তি ও বাড়ি ভাড়ার আয় থেকে মেয়েকে প্রদান করেছিলেন। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ডা. জুবাইদা রহমানের কোন ভাই নেই এবং উনারা দুই বোন। সুতরাং উত্তরাধিকার সূত্রে তাদের বিপুল সম্পত্তি থেকে যে আয় হয়, তার একটি অংশ উনার প্রাপ্য এবং সেই টাকা দিয়েই ডা. জুবাইদা রহমানের নামে এফডিআর করা হয়েছিল।
কিন্তু দুদক এই মর্মে মামলা করে যে, এই এফডিআরের টাকা জনাব তারেক রহমানের কাছ থেকে ডা. জুবাইদা রহমান নিয়ে এফডিআর করেছেন আর তাতে সহযোগিতা করেছেন তার মাতা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু। অতএব তিনিও দুদকের মামলার আসামি।
ডা. জুবাইদা রহমান যে পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড তাতে সামান্য বেতনে সরকারি চাকরি করার কোন প্রয়োজন ছিল না। দাদা এবং পরদাদার সম্পত্তির সামান্য অংশ বিক্রি করে ঢাকায় পাঁচ তারকা হাসপাতাল তৈরি করে চিকিৎসা বাণিজ্য করতে পারতেন। আরাম আয়েশে জীবন যাপন করতে পারতেন তিনি। কিন্তু পারিবারিকভাবেই যার রক্তে আছে মানবসেবা, তিনি কিভাবে সাধারণ মানুষের সেবা না করে থাকতে পারেন?
চিকিৎসক হিসেবে মানবসেবার ইতিহাস ডা. জুবাইদা রহমানের পরিবারে অনেক পুরাতন। তাঁর দাদার বাবা ছিলেন তৎকালীন ভারতের বিশিষ্ট চিকিৎসক খান বাহাদুর আসসাদার আলী খান। তিনি বিহার ও আসামের দারভাঙ্গা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং পাটনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি ১৯২৪ সালে সিলেটের বিরাহীমপুরে নাফিজাবানু চ্যারিটেবল হাসপাতাল ও ১৯৩০ সালে সিলেট মাতৃমঙ্গল নার্সিং ট্রেইনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সুতরাং পূর্বপুরুষের দেখানো পথে ডা. জুবাইদা রহমানও যে মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন এটাই তো ছিল স্বাভাবিক। নৌবাহিনীর প্রধান এবং সাবেক মন্ত্রী মরহুম মাহবুব আলী খানের কন্যা, উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম ব্যারিস্টার আহমেদ আলী খান-এর নাতনী এবং উড়িষ্যার জমিদার খান বাহাদুর ওয়াসিউদ্দিন আহমেদ-এর বংশধর এই মানুষটি সকলের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার পরেও শুধুমাত্র একটি কারণে তাঁর ওপর নেমে এসেছে প্রতিহিংসার খড়গ! ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র অপরাধ, তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এবং তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমানের সহধর্মিণী।
তা না হলে দুদকের মামলায় যে টাকার অংক উল্লেখ করা হয়েছে তা দেখে খোদ আওয়ামী লীগের একটা ওয়ার্ড কমিটির ১৫১ নং সদস্যও হাসিতে লুটিয়ে পড়বে। এমন হাস্যকর মামলায় তারেক রহমানের সাথে আরও যে দুজনকে জড়ানো হলো তাদের পারিবারিক, শিক্ষা ও সামাজিক ঐতিহ্য সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে? ডাক্তার জুবাইদা রহমানের প্রসঙ্গে পরে আসছি, তার আগে সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু সম্পর্কে দুটো কথা বলি। উনার স্বামী সাবেক নৌবাহিনি প্রধান সাবেক মন্ত্রী রিয়ার এডমিরাল মাহমুব আলী খান যার রক্তে মিশে আছে সিলেটের বিখ্যাত জমিদার পরিবারের রক্ত। তাঁর পিতা ব্যারিস্টার আহমদ আলী খান ছিলেন নিখিল ভারতের আসাম আইন পরিষদের সদস্য এবং প্রথম মুসলমান ব্যারিস্টার। সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর সমাজ সেবার অনন্য উদাহরণ সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের লেখাপড়া শেখানো প্রতিষ্ঠান ‘সুরভি’। প্রায় বিশ লাখ শিশু সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজে সুরভি ছড়াচ্ছে। অনন্য অবদানের জন্য এই সুরভি ১৯৯৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করে। মহিয়ষী এই নারী দুই কন্যার জননী। বড় কন্যা শাহিনা খান জামান বিন্দু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন আর ছোট কন্যা ডা. জুবাইদা রহমান ঝুনু নিজ মেধা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে বিশ্বের ৫৫টি দেশের মধ্যে সেরা চিকিৎসকের স্বীকৃতি পেয়েছেন। শিক্ষা জীবনে ডা. জুবাইদা রহমান কখনো দ্বিতীয় হননি, না দেশে না বিদেশে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইতিহাসে ডিস্টিংশনসহ সর্বোচ্চ মার্কস পেয়ে এমবিবিএস পাশ করেছিলেন তিনি। ডা. জুবাইদা ইমপেরিয়াল কলেজ অব লন্ডন থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে মাস্টার্স অব কার্ডিওলজি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। চার বছরের মাস্টার্স অব কার্ডিওলজিতে (এমএসসি ইন কার্ডিওলজি) ডিস্টিংশনসহ শতকরা ৮৩ ভাগ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন জুবাইদা। যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইউই), কমনওয়েলথভুক্ত দেশ, নাইজেরিয়া, চীনসহ মোট ৫৫টি দেশের শিক্ষার্থীরা এই কোর্সে অংশ নিয়েছিলেন। এ কোর্সে প্রথম হয়েছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। দেশের সীমানা পেরিয়ে নিজ মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা দিয়ে বিশ্ব নেতৃত্বের কাতারে পৌছে গেছেন। তিনি ব্যক্তি স্বার্থের বাইরে গিয়ে দেশ ও দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছেন। দেশি-বিদেশী নানা লোভনীয় প্রস্তাব, স্কলারশিপ ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের হাতছানিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিনি মানব সেবাকেই মহান ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৯৫ সালে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে উন্নীত হয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামান্য চাকরিই বেছে নেন তিনি। এখনো তার ধ্যান জ্ঞান আর স্বপ্ন কীভাবে দেশের চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন হয়।
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এবং সাবেক তিন তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ অসাধারণ মেধার অধিকারী ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষা জীবনে কোনো শ্রণিতে প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হননি। বাংলাদেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে উন্নয়নের জন্য দেশে একটি আন্তর্জাতিক মানের হৃদরোগ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার ইচ্ছা তার প্রবল-বিশালাকার একটি হাসপাতাল গড়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। কিন্তু বিধিবাম সেই তিনিই ব্যক্তি জীবনে একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি হয়েও শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ার অপরাধে হীন রাজনৈতিক নিগ্রহের শিকার হলেন।রাজনীতির শিকার হয়ে প্রথম খোয়ালেন চাকরি, এবার সাজা পেলেন ফরমায়েশি মামলায়।
ডা. জুবাইদা চাকরি খোয়ানোর অভিজ্ঞতা আরও তিক্ত। সরকারি বিধিমালা মেনে চাকরি করা এবং ছুটি ভোগ করার পরও অন্যায়ভাবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মারাত্মকভাবে অসুস্থ স্বামীর উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক যথাযথ প্রক্রিয়ায় ছুটি নিয়ে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যে গমন করেন। তিনি বারবার সরকারী সকল নিয়ম মেনে ছুটির জন্য আবেদন করলেও মন্ত্রণালয় কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ছুটি মঞ্জুর না করা হলেও তা তাকে জানানো হয়নি। অথচ বিভিন্ন সময় পত্রিকায় নানরকম ভুল রিপোর্ট প্রকাশের মাধ্যমে তার সম্মানহানি করা হয়েছে। এসকল মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে বিভিন্ন সময় প্রতিবাদ জানানো হলেও তা আমলে নেয়া হয়নি। বাংলাদেশে বিভিন্ন সরকারি সার্ভিসের অনেক কর্মকর্তাই ৫ বছর বহিঃ বাংলাদেশ ছুটি ভোগ করে বিদেশ হতে আবেদন করেই ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। এর অসংখ্য নজির পাওয়া যাবে। বিভিন্ন কারণে সরকার একজন কর্মকর্তার ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারেন। সম্ভবত মানবিক কারণই সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করা হয় ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে। তিনি বারবারই অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার বিষয়টি বিবেচনা করে মানবিক কারণে ছুটির জন্য আবেদন করেছেন। মানবিক কারণে অনেক কিছু করা গেলেও তার ক্ষেত্রে কোন মানবিকতাই বিবেচনা করা হয়নি।
লেখা পড়া, চাকরি, স্বামী, সংসার সামলানোর বাইরে কবিতা,গান, চিত্রাঙ্কন, নানা বিষয়ে গবেষণায় নিজকে নিয়োজিত রাখা এমন ব্যতিক্রমী মেধার অধিকারীর প্রতি উদার হতে পারলো না নোংরা রাজনীতি। যেমন উদার হওয়া যায়নি নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ ইউনুসের ক্ষেত্রে। যার একটা বক্তব্য শোনার জন্য, যার সমাজ পরিবর্তনের নীতি কৌশল জানার উদগ্র আগ্রহ নিয়ে দেশে দেশে শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করে তাকে কেমন হেনস্থা করা হচ্ছে তা তো আমরা দেখছি।
ডা. জুবাইদা চিকিৎসা শাস্ত্রের বাইরে ইসলামের ইতিহাস, সঙ্গীত রচনা, সঙ্গীত চর্চা, চারুকলা, কবিতা নিয়েও গবেষণা করেন, যা একজন শিক্ষিত মানুষের মৌলিক চাহিদার বিশাল অংশ। ড.ইউনুসের বক্তব্য শোনার জন্য যেমন শিক্ষার্থীরা উম্মুখ হয়ে থাকেন তেমনি এমন দিন আসবে যখন ডা. জুবাইদার বক্তব্য শোনার জন্য হলরুমে ভীড় জমে যাবে সে গুন তিনি অর্জন করেছেন। ডা.জুবাইদা রহমানের শিক্ষার একটা সংক্ষিপ্ত বর্ণনা লিংকে আছে । বিশ্বসেরা দার্শনিক সক্রেটিস বলেন, “সেই ব্যক্তি সেরা যিনি যৌবনে সুন্দর এবং প্রঢ়ৌত্বে প্রাজ্ঞ। “প্রাজ্ঞরা বেঁচে থাকেন তার জ্ঞান বিতরণের মধ্য দিয়ে। কিন্তু আমাদের দেশে জ্ঞানের কিংবা শিক্ষার কি কদর আছে? এক রৈখিক রাজনীতি শাসিত সমাজে ভিন্নমতের মেধাবী শিক্ষিতরা যে কত অসহায় সেটা প্রতিদিন অনুভব করছে আমাদের তরুণ প্রজন্ম।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিষয়টি অন্তর থেকে অনুভব করছেন যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ