মামলা প্রত্যাহারসহ বন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি হেফাজতের - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:৫৮, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

মামলা প্রত্যাহারসহ বন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি হেফাজতের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, এপ্রিল ১০, ২০২২ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, এপ্রিল ১০, ২০২২ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

নেতাকর্মীদের নামে করা সকল মামলা প্রত্যাহারসহ কারাবন্দীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। রোববার বিকালে এক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে এ দাবি জানান সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা। রাজধানীর খিলগাঁওস্থ মাখজানুল উলুম মাদরাসায় ‘মাহে রমযানের তাৎপর্য ও কারাবন্দি আলেম উলামাদের মুক্তি’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান বলেন, মাহে রমাযান আমাদের মাঝে এসেছে তাকওয়া ও খোদা ভীতির আহবান নিয়ে। তাকওয়ার মূল কথা সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রন, আল্লাহর ভয়ে গুনাহ ও পাপাচার এবং গর্হিত ও অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকা। এটি এমন এক বিষয় যা মানবের পার্থিব শান্তি ও লৌকিক মুক্তির জন্য অপরিহার্য। রমযান মাস মুসলমানদের জন্য নিজেদের পরকালের মুক্তি এবং দুনিয়ার জীবনকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে নেয়ার সূবর্ণ সুযোগ।
কারাবন্দি নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এখনো যে সকল ওলামায়ে কেরাম, হেফাজতের যে সকল নেতা-কর্মী ও ইসলাম প্রিয় জনতা বন্দি রয়েছেন তাদের দ্রুত মুক্তি দিন। এই দীর্ঘ বন্দিত্বের কারণে তাদের পরিবার এবং কারো কারো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গেছে।
এছাড়া হেফাজত নেতাকর্মীদের নামে ২০১৩, ২০১৬ ও ২০২১ সালে যত মামলা হয়েছে পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকল মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানান হেফাজত মহাসচিব।
সাজিদুর রহমান বলেন, এ দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এখানে কিভাবে বোরকা ও হিজাব পরিধানে বাধা দেয়া হয়? এগুলো ইসলামের অপরিহার্য বিধান। তাই স্বভাবতই মুসলমানরা বোরকা-হিজাব পরিধান করবে।
সিনিয়র নায়েবে আমীর আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেন, কুরআন নাযিলের মাস পবিত্র মাহে রমযানে কুরআনের শিক্ষাকে সকলের মাঝে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা আলেম উলামা ও ইমামদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই প্রত্যেক আলেমের উচিত বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত ও যিকির ইস্তিগফার পাঠ করতে মুসল্লীদের উৎসাহিত করা। নিজেদের এলাকায় দিনের বেলায় হোটেল-রেঁস্তোরা বন্ধ রাখার ব্যবস্থা নেয়া। সকল প্রকার বেহায়াপনা এবং অশ্লীল প্রদর্শনী বন্ধ রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- হেফাজত নেতা মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী, মাওলানা জহুরুল ইসলাম, মাওলানা শিব্বির আহমাদ, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা কিফায়াতুল্লাহ আযহারী, মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা মাহবুবুল আলম, মাওলানা মুবিনুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল্লাহ ইয়াহয়া, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা আল আমিন, মাওলানা সুলতান মাহমুদ, মাওলানা গোলাম মাওলা, মাওলানা ইউনুস, মাওলানা আফসার মাহমুদ প্রমূখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ