‘মা তুমি কোথায়? ফিরে এসো মা, ফিরে এসো’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৬:৪৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

‘মা তুমি কোথায়? ফিরে এসো মা, ফিরে এসো’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ

 

সাত দিন ধরে মমতাময়ী মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন ছয় সন্তান। বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। আকুতি জানাচ্ছেন, ‘মা তুমি কোথায়? ফিরে এসো মা, ফিরে এসো। হে আল্লাহ তুমি মায়ের সন্ধান মিলিয়ে দাও।’

গত ২৭ আগস্ট নিখোঁজ হন রহিমা বেগম (৫২)। তিনি খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার উত্তর বণিকপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল মান্নান হাওলাদারের স্ত্রী।

ওই দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে টিউবওয়েলে পানি আনতে গিয়ে আর ফেরেননি। পরে নিকট আত্মীয়সহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ-খবর নিয়েও মায়ের খোঁজ পাচ্ছেন না সন্তানরা। থানায় মামলা এবং সংবাদ সম্মেলনও করেছেন তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নিয়মিত।

নিখোঁজ রহিমা খাতুনের সন্তানরা বলেন, গত শনিবার রাতে আকস্মিকভাবে মা নিখোঁজ হন। বাড়ির নিচতলায় পানির পাত্র, পায়ের জুতা, ওড়না সব কিছু পড়ে ছিল। কিন্তু মাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে বিরোধ ও আদালতে মামলা রয়েছে। কয়েক দিন আগে প্রতিবেশীরা বাড়িতে হামলা চালায়। এ ঘটনার ভিডিও করলে সন্ত্রাসীরা বোন ও মাকে মারধর করে। মাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হয়। এ ঘটনায় তাদের মা থানায় মামলা করেছিল। প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসীরা অচেনা নম্বর থেকে ফোন দিয়ে হুমকি দিয়ে আসছিল।

নিখোঁজ রহিমা বেগমের একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ এম এ সাদী বলেন, মা নিখোঁজের পর ওই রাতে দৌলতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন তার বোন আদুরি খাতুন থানায় মামলা করেন। এছাড়া বিষয়টি র‌্যাবকেও জানানো হয়েছে। সাত দিন হয়ে গেল মায়ের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার ছোট বোন রাস্তায় রাস্তায় পোস্টার লাগাচ্ছে মাকে খুঁজে পেতে। মাকে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

সূত্র : ইউএনবি

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ