মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ টহল দেবে বিজিবি-বিজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৯, ২০২২ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৯, ২০২২ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অপতৎপরতা কমাতে বিজিবি ও বিজিপি যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ।
পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত সম্মেলন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দুই বছর ১০ মাস পর গত ২৪ নভেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে চার দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়। এই সীমান্ত সম্মেলনে দুই দেশের মধ্যকার বিভিন্ন বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক।
মেজর সাকিল আহমেদ বলেন, এতে আন্তঃসীমান্ত অপরাধী চক্রের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ অন্যান্য মাদক ও মানব পাচার রোধের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান, যৌথ টহল পরিচালনা, রিজিয়ন ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা, পতাকা বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে কথা হয়। এছাড়াও সীমান্তে আটককৃত, সাজাভোগকৃত উভয় দেশের নাগরিকদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) তাদের মূল আবাসভূমিতে প্রত্যাবর্তনের বিষয়েও আলোচনা হয়।
বিজিবি মহাপরিচালক আরো বলেন, নিয়ম ভেঙে আকাসসীমা অতিক্রমের বিষয়টি আমরা বলেছি। যদি এমনটা ঘটে তাহলে সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়ভাবে শঙ্কা বা সংশয় তৈরি হয়। এটা সীমান্তে শান্তির জন্য বাধা। যদি ড্রোন, হেলিকপ্টার উড্ডয়নের প্রয়োজন হয়, যেন আমাদের তা অবগত করা হয়। আমরা যেন লক্ষ্য রাখতে পারি সীমান্ত অতিক্রমের বিষয় ঘটে কি না। তারা (বিজিপি) আশ্বস্ত করেছেন তথ্য শেয়ার করবেন এবং এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে ঘটবে না।
ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ অন্যান্য মাদক ও মানব পাচাররোধে বিজিবির সফলতার বিষয়ে তিনি বলেন, মাদক চোরাচালানে বিজিবি অনেকটাই সফল। তবে এখনো শতভাগ সফল হতে পারেনি। দুদেশের যৌথ টহলের মাধ্যমে এটা আরো কমানো সম্ভব হবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ