যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত পদ্মাসেতু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:১১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত পদ্মাসেতু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, মে ২৩, ২০২২ ৫:২৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, মে ২৩, ২০২২ ৫:২৪ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মাসেতু এখন যানবাহন চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সেতুর দুই পাড়ে সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু শুভ উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

সোমবার (২৩ মে) বিকেলে জাজিরা অংশের সংযোগ সড়কের (সাউথ ভায়াডাক্ট) পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পদ্মাসেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের।

গত বছরের ১০ নভেম্বর সেতুতে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়। ২৯ এপ্রিল মূল সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার অংশের কাজ শেষ হয়। এরপর শুরু হয় দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই। যা আজ সম্পন্ন হলো।

সূত্র জানায়, চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হবে রোড মার্কিংয়ের কাজ। এছাড়া সেতুতে ৪১৫টি ল্যাম্পপোস্টে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজও শেষ দিকে।

আগামী জুন মাসেই এই সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিগগির তারিখ চূড়ান্ত করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্ণাঢ্য আয়োজনে পদ্মাসেতু উদ্বোধন করা হবে। এজন্য ইতোমধ্যে বেশ কিছু উপকমিটিও গঠন করা হয়েছে। ওই দিন জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মাসেতু। এরপর একে একে ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মাসেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর। একইসঙ্গে চলতে থাকে রোডওয়ে, রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোসহ অন্যান্য কাজ।

সেতুর মূল আকৃতি দোতলা। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ