যৌক্তিক সময়ে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন : মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, আগস্ট ২৭, ২০২৪ ২:৫৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, আগস্ট ২৭, ২০২৪ ২:৫৩ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, এই সরকারকে সময় দিতে চাই, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হলে সময় লাগবে। তবে এই সরকারকে একটি যৌক্তিক সময় দিতে চাই। এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নাই।
অন্তবর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে আপনারা একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। একটা যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। জনগণের প্রতিনিধিদেরকে রাষ্ট্রের দায়িত্বভার গ্রহণ করার সুযোগ করে দিন।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের উদ্যোগে আয়োজিত মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম রফিকুল ইসলাম মাহতাবের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, অনেকে এই সরকারকে ছাত্রদের সরকার বলছে। কিন্তু এই আন্দোলনে সারাদেশের মানুষ জীবন দিয়েছে। এটা বাংলাদেশের জনগণের সরকার। অনেকে মা বোন ছাত্রীরা মা বাবাকে নিয়ে পানি খাইয়ে সহয়তা করেছে। ইউনুস সরকারকে আরও সময় দিতে চাই। অনেকে দাবি-দাওয়া দিয়ে এই সরকারকে অতিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে। আনসাররা যে কাজ করেছে এটা কোনো আনসার নয়। আওয়ামী লীগ সরকার এদের ট্রেনিং দিয়ে আনসারে নিয়োগ দিয়েছে।
তিনি বলেন, উপদেষ্টারা দয়া করে যে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে, তাকে ধারণ করুন। নির্বাচনের দিন প্রধান কমিশনার ঘুমায়, সেই কমিশন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিলুপ্ত করুন। নইলে গণতন্ত্র আসবে কীভাবে? সাধারণ জনগণের অধিকার যেন আর কেউ ক্ষুন্ন করতে না পারে। সেজন্য দেশের সকল মানুষকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এখন যে সরকার দায়িত্ব নিয়েছেন। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হলেও তারা মূলত বিপ্লবী সরকার। ড. ইউনুস বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, তার সরকারকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। ভারত সরকারের উচিত, খুনিদের ফেরত পাঠানো উচিত। সেনবাহিনীর প্রতি আহ্বান ৬২২ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করুন। এদেরকে সেনাবাহিনী আশ্রয় দিতে পারে না। তাদের প্রতি আশা, তারা জনগণের পাশে সবসময় থাকবেন। স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করার জন্য সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ।
বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, যেসব অস্ত্র সেনাবাহিনীর কাছে থাকার কথা। সেসব অস্ত্র শেখ হাসিনা মানুষকে দমন করার জন্য পুলিশকে দিয়েছে। মিয়ানমারের বাহিনীরা সীমান্তে এসে মানুষ মেরে চলে যায়। কিন্তু আমাদের বিমান বাহিনীরা কোনো জবাব দেয় না। সেনাবাহিনীকে দিয়ে শুধু ব্রিজ আর বন্যায় ত্রাণ দেয়ার কাজে ব্যবহার করলে হবে না। আমাদের আগ্রাসী কোনো পরিকল্পনা নাই। দেশের মানুষ বিএনপিকে দায়িত্ব দিলে সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনার চেষ্টা করবে।
মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিঞার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় মৎসজীবী দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ