রাজধানীতে গণমিছিল করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৭:৪৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

রাজধানীতে গণমিছিল করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২২ ১০:২৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২২ ১০:২৪ অপরাহ্ণ

 

অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শুক্রবার রাজধানীতে গণমিছিল করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি)। পরে র‍্যালিটি বিএনপি আয়োজিত গণমিছিলে গিয়ে সম্পৃক্ত হয়।

ওই সময় বিএসপিপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সদস্য সচিব সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ডা. এম এ কুদ্দুস, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজু, রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ড. শামসুল আলম সেলিম, ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, ড. নজরুল ইসলাম, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কৃষিবিদ রাশিদুল হাসান হারুন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হাসিন আহমেদ, ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, পেশাজীবী নেতা জাকির হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান চুন্নু, মাহবুব আলম, জহিরুল ইসলাম, নুরুন্নবী শ্যামল, ড. শফিকুল ইসলাম শফিক, আমিরুল ইসলাম কাগজী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মিছিলপূর্ব সমাবেশে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, এই সরকারের আমলে পেশাজীবীরা সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত। ভিন্নমতের হাজার হাজার পেশাজীবীকে চাকরিচ্যূত করা হয়েছে। বহু পেশাজীবীকে গুম ও খুন করে হয়েছে। মামলা দিয়ে পেশাজীবীদের ঘর ছাড়া, বাড়ি ছাড়া করা হয়েছে। তাই আজ ক্ষতিগ্রস্ত ও বিক্ষুব্ধ পেশাজীবীদে ঢল নেমেছে বিএনপির গণমিছিলে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত পেশাজীবীরা ইস্পাত-দৃঢ় ঐক্য নিয়ে রাজপথে থাকবে। এই নিশি রাতের সরকার ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের সব অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। পেশাজীবী জনতা ঐক্য গড়ে তুলে এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদায় দিতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, দেশে চরম ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম হয়েছে। মানুষের জান মাল ইজ্জতের নিরাপত্তা নেই। স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই। দেশ মনুষ্য বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। একদিকে মানুষ না খেয়ে মরছে, অন্যদিকে সরকারের লোকেরা দুর্নীতি ও লুটের টাকা দিয়ে বিদেশে সেকেন্ড হোম কিনছে। এমন পরিস্থিতিতে দেওয়ালে আমাদের পিঠ ঠেকে গেছে। এখন আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিপন্ন। গণতন্ত্র নেই। বাক স্বাধীনতা নেই। মিডিয়ার স্বাধীনতা নেই। ন্যায়বিচার নেই। আদালত চলছে সরকারের ইশারায়। প্রতি পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ফিরে পেতে হলে ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদায় করতে হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ