রাজশাহীতে প্রাইভেটকার থেকে অস্ত্র উদ্ধার করল শিক্ষার্থীরা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:৫৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

রাজশাহীতে প্রাইভেটকার থেকে অস্ত্র উদ্ধার করল শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, আগস্ট ১১, ২০২৪ ১:২৬ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, আগস্ট ১১, ২০২৪ ১:২৬ পূর্বাহ্ণ

 

রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী রেলগেট এলাকায় প্রাইভেটকার থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র বহন করার সময় এক যুবককে আটক করে সেনবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পর মোড়ে মোড়ে গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে নয়টার পর থেকে রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চৌকি বসাতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করে আসছিল। কিন্তু হঠাৎ অস্ত্র উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন স্থানে চেক পোস্ট বসিয়ে প্রত্যেকটি গাড়ি তল্লাশি করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় গাড়িচালক ও যাত্রীদের বিভিন্ন প্রশ্ন করতে দেখা যায় তাদের।

রাজশাহীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় গাড়ি তল্লাশির সময় তাওসিফ নামের এক শিক্ষার্থী জানান, যেহেতু পুলিশ এখনো কাজে ফেরেনি, তাই এই সুযোগে কেউ কোন ধরনের অবৈধ অস্ত্র বা চোরাচালান না করতে পারে সেটি লক্ষ্য রাখছে ছাত্র সমাজ। এই তল্লাশি চলমান কার্যক্রমের ফলে অনেক জায়গায় মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

অপর শিক্ষার্থী আল আমিন হোসেন জানান, স্বাধীন দেশ একটি নিয়মের মধ্যে যাবে। যেহেতু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আশা করছি পরিবেশ দ্রুত স্বাভাবিক হতে শুরু করবে। এ সময়টি আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের দায়িত্ব।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের বেশ কয়েকটি গ্রুপ কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে রাতে নগরীর বিভিন্ন সরকারি অফিস আদালত, ব্যাংক বীমা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় পাহারা দিতে দেখা গিয়েছে।

রাজশাহী মহানগরীর ষষ্ঠীতলা এলাকার বাসিন্দা ইমতিয়াজ ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়কে শৃঙ্খলা থেকে নিরাপত্তার কাজ নিজ কাজে তুলে নিয়েছেন। এতে করে আমাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সবই করতে পুলিশের কোন বিকল্প নেই। তাই যত দ্রুত সম্ভব পুলিশকে কাজে ফেরাতে হবে।

হেতেম খা এলাকায় রেজভী আহমেদ বলেন, সড়কে দিনরাত কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এরইমধ্যে বেশ কয়েকবার সড়কে তাদের মুখোমুখি হয়ছি, তারা গাড়ি থেকে নামিয়ে গাড়ি তল্লাশি চালিয়েছে। যখন কোন কিছু পায়নি তখন ধন্যবাদ দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ