যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম আরও বাড়বে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:১৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম আরও বাড়বে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, মার্চ ৩০, ২০২২ ৩:১২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, মার্চ ৩০, ২০২২ ৩:১৩ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়বে বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, এতে আমাদের দেশে পরিবহণ ভাড়া ও কৃষি উৎপাদন খরচও বাড়বে। জ্বালানি তেল বাবদ বাংলাদেশ এখনই প্রতিদিন ১৫ কোটি ডলারের ওপর লোকসান দিচ্ছে। পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পেও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

বুধবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

লিখিত বক্তব্যে ড. আবদুল মোমেন বলেন, গত ৯ বছরের মধ্যে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম এখন সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ বর্তমানে প্রতি বছর ৫০ লাখ টন ডিজেল, ১৩ লাখ টন অপরিশোধিত তেল, ২ লাখ টন ফার্নেস অয়েল এবং ১ লাখ ২০ হাজার টন অকটেন আমদানি করে। এখন যে দামে জ্বালানি তেল কিনে বাংলাদেশ নিজেদের বাজারে বিক্রি করছে, তাতে প্রতিদিন ১৫ কোটি ডলারের ওপর লোকসান গুনতে হচ্ছে।

যুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে খুব বেশি গম আমদনি না করলেও বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ প্রভাবিত হবে। যুদ্ধ চলতে থাকলে পণ্যবাহী জাহাজের ভাড়া ও বিমান মাশুল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ড. মোমেন আরও বলেন, ইতোমধ্যে বেশ কিছু ব্যাংককে বৈশ্বিক আন্তঃব্যাংক লেনদেন সংক্রান্ত সুইফট সিস্টেমে নিষিদ্ধ করায় বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থা যাদের রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি রয়েছে, তাদের মূল্য পরিশোধের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন কোনও ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করলে তা হয়তো মাঝপথে আটকে যেতে পারে। এ অর্থ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নাও হতে পারে।

একই প্রশ্নের জবাবে আবদুল মোমেন আরও বলেন, যুদ্ধের কারণে আমাদের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ রাশিয়ার সঙ্গে ১ হাজার ১৩৮ কোটি ডলারের ঋণচুক্তিতে আবদ্ধ হয়। এই ঋণের টাকা আসছে প্রধানত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক হয়ে। কেননা বাংলাদেশ রুবলের বদলে ডলারে ঋণের অর্থ নিতে চেয়েছে। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা এই লেনদেনে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ