রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলার শহীদদের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা হয়েছিল: মামুনুল হক
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে শহীদ হওয়া অনেকের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে আসেন হেফাজতের একটি দল।
মামুনুল হক বলেন, তদন্তে কেবল তাদেরই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাদের নিহত হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তাদের দাবি, অনেকের মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি। তাই সেই ব্যক্তিদের তথ্য তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার ভাষ্য, সে সময় রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলা চত্বরে নিহতদের মরদেহ গুম করার চেষ্টা হয়েছিল। এ কারণে বহু শহীদের কোনো খোঁজ আজও মেলেনি।
তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে শিক্ষার্থী, শ্রমিক এবং তৎকালীন প্রায় সব বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ফলে শহীদদের তালিকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের মানুষের নাম রয়েছে। তার দাবি, আন্দোলনটি ছিল সর্বজনীন।
তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন প্রসঙ্গে হেফাজতের এই নেতা বলেন, এখনো তিনি পুরো প্রতিবেদনটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করার সুযোগ পাননি। প্রাথমিকভাবে যা দেখেছেন, তাতে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাদের মনে হয়েছে। তিনি জানান, আরও পর্যালোচনার পর আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সংশোধনের বিষয়গুলো প্রসিকিউশনের কাছে তুলে ধরা হবে। এরপর প্রতিবেদনে তারা কতটা সন্তুষ্ট হয়েছেন, সে বিষয়ে মতামত জানানো হবে।
আপনাদের এক্সপেক্টেশন কী ছিল? কোনটার সঙ্গে আপনাদের দ্বিমত হচ্ছে?—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন বলে আগেই জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন এখনও দাখিল হয়নি। এ পর্যায়ে সব বিষয় উন্মুক্ত করাও সম্ভব নয়। অতএব আমাদের যে অভিযোগ ছিল, সে অনুযায়ী এ খসড়া প্রতিবেদন অনেকটা কাছাকাছিই রয়েছে বলে আমরা মনে করি।
জনতার আওয়াজ/আ আ