রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গোলাবারুদসহ ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:৩০, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গোলাবারুদসহ ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৩ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৩ ১১:৩৮ অপরাহ্ণ

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ চার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্যরা। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৭টায় সন্ত্রাসী ছমি উদ্দিন দলবলসহ ক্যাম্প-৫ এর একটি ঘর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগান, ৩০টি চায়না রাইফেলের গুলি, ২৭টি পিস্তলের গুলি, পাঁচটি শর্টগানের কার্তুজ, তিনটি খালি ম্যাগজিন, চারটি ওয়াকিটকি, পাঁচটি মোবাইল সেট ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়। এক সংবাদ সংম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন কক্সবাজারের ডিআইজি মো. জামিল হাসান।

আটককৃতরা হলেন- উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২ ইষ্টের বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ সৈয়দের ছেলে মোহাম্মদ জোবায়ের (২০), ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মৃত কামাল হোসেনের ছেলে নুর মোহাম্মদ (২৫), ৫ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা জোবায়ের আহমদের মেয়ে মোসা বিবি (১৬) ও মৃত সালেহ আহমদের স্ত্রী জমিলা বেগম (৪৮)। আটকদের দুপুরে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মো. জামিল হাসান বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খবর আসে ক্যাম্প-৭ এ সন্ত্রাসী ছমি উদ্দিনের নেতৃত্বে ১০/১৫ জন সংঘবদ্ধ হয়ে অপরাধ সংঘটিত করার পরিকল্পনা করছে। পরে ক্যাম্পে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে টহল জোরদার করা হয়। ঘটনাস্থলে এপিবিএন সদস্যরা উপস্থিত হলে তাদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুঁড়ে। সরকারি সম্পদ রক্ষা ও আত্নরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। গোলাগুলির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

একই ঘটনার সূত্র ধরে সন্ত্রাসীদের অবস্থান নিশ্চিত করতে রাতভর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে আজ শুক্রবার সকাল ৭টায় সন্ত্রাসী ছমি উদ্দিন দলবলসহ ক্যাম্প-৫ এর একটি ঘরে অবস্থানের খবরে অভিযান পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় সন্ত্রাসী ছমি উদ্দিনসহ অন্যান্যরা পালিয়ে যায়।

ক্যাম্পে তল্লাশি চৌকি থাকার পরেও কীভাবে অস্ত্র, মাদক ক্যাম্পে প্রবেশ করে সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সবসময় চেষ্টা করি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে। ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় কৌশলে রোহিঙ্গারা কাটাতারের বেড়া কেটে বাইরে চলে যায়। অন্যদিকে, বিভিন্ন এনজিও সংস্থার বিতরণ কেন্দ্র ক্যাম্পের বাইরে হওয়ায় হাজার হাজার রোহিঙ্গা আসা যাওয়া করে। এর ফাঁকে বের হওয়ার সুযোগ পায়। তবে তল্লাশি চৌকিতে বিভিন্ন সময় মাদক, অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি তার নজির রয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ