লন্ডনে বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫ ২:২৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫ ২:২৫ অপরাহ্ণ

বিশেষ প্রতিনিধি
ছবি : সংগৃহিত
বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের তাগিদে ঐতিহাসিক এক প্রেক্ষাপটে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র যাত্রা শুরু করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার, রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযুদ্ধা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। এর ফলে ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগসহ নিষিদ্ধ হওয়া রাজনৈতিক দলসমূহকে রাজনীতি করার অনুমতি দিয়ে বহুদলীয় রাজনীতি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

১লা সেপ্টেম্বর পূর্ব লন্ডনের রিজেন্ট লেইক বেংকুইটিং হলে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান। সভা পরিচালনা করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গনতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরীর নাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে বিএনপি দেশের হাল ধরেছে বলেই আজ আপমর জনগনের আস্থার প্রতিক হয়ে হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে । বিএনপি মুক্তিযোদ্ধাদের দল। যাঁরা ১৯৭১ সালে সবকিছু তুচ্ছজ্ঞান করে স্বাধীনতার জন্য জীবন সঁপে দিয়েছিলেন, তাঁরাই পরবর্তী সময়ে এক জোট হয়ে গঠন করেন বিএনপি। স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম রাজনৈতিক ফসলও এই বিএনপি। শহীদ রাস্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ‘উই রিভল্ট ‘ বলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে নিজে রণাঙ্গনে যুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, মানচিত্র ও একটি পতাকা পেলেও কার্যকর রাষ্ট্র বলতে যা বোঝায়, তা আমরা অর্জন করতে পারিনি। স্বাধীনতার পরপরই একটি কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও হানাহানি ছড়িয়ে পড়েছিল চতুর্দিকে। রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র এবং লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তের অঙ্গীকার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে, শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগকে চোরের দল, চাটার দল বলে নিজের দল আওয়ামী লীগসহ সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল গঠন করেছিলেন। শুধু তাই নয় শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের ম্যান্ডেট ব্যতিরেকেই নিজেকে আজীবন রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই রকম একটি অবস্থার বিপরীতে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি বিএনপি’র যাত্রা শুরু করেন । একদলীয় রাজনীতির বিপরীতে শুরু হয় বহুদলীয় রাজনীতি। বিচারব্যবস্থায় স্বাধীনতা ফিরিয়ে বাক স্বাধীনতা নিশ্চিতকল্পে সংবাদপত্রের উপর থেকে প্রত্যাহার করা হয় সকল নিষেধাজ্ঞা ।

বক্তারা বলেন, আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির পাশাপাশি বিএনপির আমলে প্রবাসী ও পোশাক রপ্তানির আয় থেকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে স্বাবলম্বী এক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে । মূলত বিএনপির আমলেই বাংলাদেশ একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মতো একটি উদার ও বহুপক্ষীয় বহুদলীয় রাজনীতির ওপর নির্ভর করে নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার বিকাশ ঘটতে শুরু করে এবং একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ রাষ্ট্রে পরিনত হয়। কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরনের পর দেশ আবারও স্বৈরশাসকের কবলে পড়ে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয় এবং বাংলাদেশকে একটি ইমারজিং টাইগারে রুপান্তরীত হয়। কিন্তু পুনরায় দেশ ষড়যন্ত্রকারীদের কবলে পড়ে ১/১১ সৃষ্টি হয় এবং আওয়ামী বাকশালী গংদের নেতৃত্বে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম শুরু হয়। সেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন প্রবাস থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী হাসিনার রিজিমের পতন হয়। আগামী দিনে জনগনের ভোটে বিএনপি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি দেশে গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
অনুস্টানের যুক্তরাজ্য জাসাসের সাবেক সভাপতি এমাদুর রহমান এমাদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজবীর চৌধুরী শিমুলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাসাসের নেতৃবৃন্দ দলীয় এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এতে অনুস্টানে আগত অতিথি সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রিটা রহমান, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুছ, যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, আরব আমিরাত বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি তাজুল ইসলাম, এম এ মুকিত, সহসভাপতি আবেদ রাজা, ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান জনি, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খসরুজ্জামান খসরু, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মামুন, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাসিম আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক ড. মুজিবুর রহমান ( দপ্তরের দায়িত্বে ), যুগ্ম সম্পাদক মিসবাহুজ্জামান সোহেল, গুলজার আহমেদ, আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ, সহসাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আহমেদ, শাহিন মিয়া, সেলিম আহমেদ ( সহদপ্তরের দায়িত্বে), সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাহিদ আলী তালুকদার, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহরিয়ার রহমান জুনেদ, যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক সভাপতি রহিম উদ্দিন, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহিন, যুক্তরাজ্য যুবদলের সভাপতি আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাবর চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন, মহিলা দলের আহ্বায়ক ফেরদৌস রহমান, আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক ব্যারিস্টার আলিমুল হক লিটন। অনুস্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইউকে বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস শহীদ।
আলোচনা সভায় অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুল হামিদ চৌধুরী, আঙ্গুর মিয়া, সাবেক সহসভাপতি আক্তার হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আশিকুর রহমান আশিক, নিউইয়র্ক মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুব দলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সম্পাদক পদ মর্যাদা) আবু সাঈদ আহমেদ, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আব্দুল বাসিত বাদশা,, বাবুল চৌধুরী, সালেহ আহমেদ জিলান, কে আর জসীম, এডভোকেট খলিলুর রহমান, টিপু আহমেদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এম আর মামুন, সাবেক ছাত্রনেতা তোফায়েল বাছিত তপু, যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রচার সম্পাদক ডালিয়া লাকুরিয়া, কোষাধ্যক্ষ সালেহ গজনবী, সাসেক্স বিএনপির সাবেক সভাপতি তফোজ্জুল হোসেন, ইস্ট লন্ডন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম বাদল, সাবেক সম্পাদক এস এম লিটন, নিউহাম বিএনপির সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, ওয়েস্ট মিডল্যান্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ জমশেদ আলী, ইস্ট মিডল্যান্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল্লাহ খান, লন্ডন নর্থ ওয়েস্ট বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী এম সেলিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, ব্রাডফোর্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফাইজুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম রাব্বানী, ইপ্সউইস বিএনপির সাবেক সভাপতি জুলফিকার আলী, সাউথাম্পটন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনসুরুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, মিল্টন কিন্স বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ সাহেল, বারমিংহ্যাম সিন্টি বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবজার হোসেন, নটিংহ্যাম বিএনপির কামাল চৌধুরী, স্টক অন ট্রেন্ট বিএনপির আমিন ইসলাম, যুক্তরাজ্য বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার লিয়াকত আলী, যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমেদ, সেচ্ছাসেবক বিষয়ক কামাল মিয়া, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সাদিক হাওলাদার, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সায়েদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আহবাব হোসেন খান বাপ্পী, সাবেক সহ ক্রীড়া সম্পাদক সরফরাজ আহমেদ শরফু, সহ সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তৌকির শাহ, সহ তথ্য বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ সাদিক, সহ প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ আহমেদ, নির্বাহী সদস্য শরিফ উদ্দিন ভূঁইয়া বাবু, শরিফুল ইসলাম, আলী আকবর খোকন, মিসবাহুল ইসলাম বাবু, সুজাত আহমেদ, তপু শেখ, নজরুল ইসলাম, লন্ডন মহানগর বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ, আব্দুস সালাম আজাদ, কদর উদ্দিন, তপু শেখ, রোমান আহমেদ চৌধুরী, আলী আহমদ লিটন মোড়ল, মবিন ভুইয়া কাজল, সোহেল আহমেদ, তুহিন মোল্লা, জিয়াউর রহমান, তোতা সরকার, জামান উদ্দিন চৌধুরী, আমির হোসেন, আল মামুন, শেরওয়ান আলী, আজিজুর রহমান, ইফতেখার হোসেন চৌধুরী সাকী, হালিমুল ইসলাম হালিম, মোহাম্মদ মিনহাজুল আবেদীন রাজা, বেলাল খান, ফজল আহমেদ, রফিক আহমেদ, জাকির খান, সৈয়দ খবির, আল আমিন মিয়া, আবু তাইয়েব কাওছার, জয় ইসলাম মনির, মোঃ কামরুল হাসান ভূঁইয়া, নিজাম উদ্দিন, ইস্ট লন্ডন বিএনপি নেতা আকলিমুর রেজা চৌধুরী, কবি কাওসার, মোঃ ফয়সল আকন্দ, নিউহাম বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আব্দুল করিম নিপু, আব্দুল মুকিত, ফয়সল আকন্দ, যুক্তরাজ্য যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাসিত, সহসভাপতি আক্তার হোসেন শাহিন, শানুর মিয়া, নুরুল আলী রিপন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ লায়েক মোস্তাফা, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মামুন, মিয়ামুল হক মাক্সিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি আতাউর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শিমু, যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, আকমল হোসেন, শেখ সাদেক আহমেদ, আবু সাঈদ চৌধুরী শাকিল, আরিফুল ইসলাম উজ্জ্বল, প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ