শরীয়তপুরে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের সংকট
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৫:১১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৫:১১ অপরাহ্ণ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি \ শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলার সর্বত্রই এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের সংকট তীব্রতর আকার ধারন করেছে। জেলার প্রায় ২০ জন ডিলার রয়েছে। তাদেও কারো কাছেই কোন গ্যাস সিলিন্ডার নেই। ফলে বাসা বাড়িতে রান্নার কাজ অনেকাংশের বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়ছে।ডিলারদের কারো কারো কাছে কিছু টোল কোম্পানীর গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে। তাও দাম চওড়া। ১৫০০ টাকার নিচে এ সকল ১২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে না।বিপডদে পড়ে অনেক বাসা বাড়ির লোকজন বাধ্য হয়ে বেশী দাম দিয়েই নিচ্ছে এ সব গ্যাস সিলিন্ডার। তবে সাথে একটি রেগুলেটর নিতে হচ্ছে। কারন টোল গ্যাস রেগুলেটর ২০। আর বাসাবাড়ির রেগুলেটর ২২ । এ কারনে নুৃতন রেগুলেটর কিনতে বাধ্য হচ্ছে। শহর অঞ্চলে যে সকল লোকজন বসবাস করেন এদের মধ্যে যারা দোতলা থেকে বহতল ভবনে থাকেন তাদেও জন্য সবচেয়ে বেশী সমস্যা। তারাতো ইচ্ছে করলে চুলায় লাকড়ি দিয়ে রান্নার কাজ করতে পারছে না। তাছাড়া সবার তো আর চুলা ও নেই। ফলে ঐ সব বাসা ও বাড়িতে ২/১ দিন পরে রান্না করা কষ্টকর হবে। এক কথায় রান্না করা বন্ধ হয়ে যাবে। বিভিন্ন ডিলারদেও কাছে জানতে গিয়ে জানাগেছে ১ জানুয়ারী থেকে কোন গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ দিচ্ছে না কোম্পানী। শরীয়তপুরের ডিলাররা মংলা থেকে গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করে থাকে। ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের পর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহ করেছে। তাও গাড়ি নিয়ে গ্যাস প্লান্টে গিয়ে ৫/৬ দিন সেখানে অপেক্ষা করে পরে সিরিয়াল পেয়ে গ্যাস সিলিন্ডার আনতে হয়েছে। ৫০০ বোতলের চাহিদা দিলে ৩০০ বোতল সরবরাহ দিয়েছে। এতে করে খরচ বেশী হয়। বাধ্য হয়ে গ্যাসের দাম রেশী পড়ে । ফলে ভোক্তারা বেশী দামে কিনতে চায় না। তারা প্রশাসনের কাছে নালিশ করে। মাঝে মধ্যে প্রশাসনের লোকজন এসে মোবাইল কোর্ট দিয়ে জরিমানা করে। শরীয়তপুর শহরের ডিলার সেলি মিয়া,বেলায়েত,রুহুল আমিন শাহিন এদের কারো দোকানে কোন গ্যাস নেই।
এ ব্যাপারে ভোক্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, শরীয়তপুরে গ্যাসের যে সংকট তাতে ২/১ দিন পওে আমাদের খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে ডাবে। আমার বাসা ৪ তলায় আমরা গ্যাস না থাকলে কিভাবে রান্না করবো। কিভাবে খাব।
ভোক্তা সেলিনা আকতার বলেন, হঠাৎ করে গ্যাস সংকট হওয়ায় আমাদের জন্য সমস্যা হয়েছে। আমাদের বাসার গ্যাস শেষ।জরুরী ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ না হলে আমাদেও খুবই সমস্যা হবে। ডিলার বেলায়েত হোসেন রলেন, ১ জানুয়ারী থেকে কোন গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ দিচ্ছে না কোম্পানী। শরীয়তপুরের ডিলাররা মংলা থেকে গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করে থাকে। ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের পর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহ করেছে। তাও গাড়ি নিয়ে গ্যাস প্লান্টে গিয়ে ৫/৬ দিন সেখানে অপেক্ষা করে পরে সিরিয়াল পেয়ে গ্যাস সিলিন্ডার আনতে হয়েছে। ৫০০ বোতলের চাহিদা দিলে ৩০০ বোতল সরবরাহ দিয়েছে। এতে করে খরচ বেশী হয়।
শরীয়তপুর জেলা গ্যাস বিক্রেতা সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম পাইলট বলেন, ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের পর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহ করেছে। তাও গাড়ি নিয়ে গ্যাস প্লান্টে গিয়ে ৫/৬ দিন সেখানে অপেক্ষা করে গ্যাস সিলিন্ডার আনতে হয়েছে। ৫০০ বোতলের চাহিদা দিলে ৩০০ বোতল সরবরাহ দিয়েছে। এতে করে খরচ বেশী হয়। ১ জানুয়ারী থেকে কোন গ্যাস দিচ্ছে না। এসব কারনে গ্যাস সংকট।
জনতার আওয়াজ/আ আ