শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে রোববার থেকে ফের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:২৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে রোববার থেকে ফের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৯, ২০২৩ ৩:১০ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৯, ২০২৩ ৩:১০ পূর্বাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

সরকার পতনের একদফা দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে বিএনপি। জামায়াতসহ সমমনা দলগুলো একই দাবিতে মাঠে। ২৮শে অক্টোবর সমাবেশে সংঘর্ষের পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের। যারা বাইরে আছেন তারাও মামলার আসামি হয়ে কৌশলী অবস্থানে আছেন। রাজপথে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন মাঠপর্যায়ের তৃণমূল নেতারা। হরতাল ও তিন দফা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে রোববার থেকে ফের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে। সেটা তফসিল ঘোষণার দিন পর্যন্ত চলতে পারে। তবে তফসিলের পর বড় কর্মসূচি দেয়ার চিন্তা করছে বিএনপি। পরিস্থিতি বিবেচনায় কি কর্মসূচি দেয়া যায় সেটা নিয়ে দলের সিনিয়র নেতা ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে বিএনপি’র হাইকমান্ডের আলোচনা চলছে।

আজ বিকালে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে বিএনপি’র নীতিনির্ধারণী ফোরামের এক নেতা মানবজমিনকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি দিন দিন বিএনপি’র জন্য যেমন জটিল হচ্ছে তেমনি সরকারের জন্য একতরফা নির্বাচন করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বিএনপি রাজপথে কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। সামনে আরও কর্মসূচি আসবে। তিনি বলেন, বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা কেউ গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে, কেউ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে। তৃণমূলের লাখ লাখ নেতাকর্মীও ঘরছাড়া। রাজপথে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন দলের সেকেন্ড ও থার্ড পর্যায়ের নেতারা। বিএনপি’র হরতাল ও তিন দফা অবরোধ কর্মসূচিও সারা দেশে ভালোভাবে পালিত হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে- বিএনপি’র আন্দোলনে জনগণের সমর্থন রয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশি গ্রেপ্তারি অভিযানের কারণে সিনিয়র নেতারা বের হতে পারছেন না। তবে তফসিল ঘোষণা হলে পরিস্থিতি আর এমন থাকবে না। বিরোধী সব দল মাঠে নামবে।

ওদিকে বিএনপি’র সিনিয়র এক নেতা জানান, আন্তর্জাতিক কমিউনিটিগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারকে চাপ দিচ্ছে। তারা এখনো সংলাপের কথা বলছে। এতে সরকার চাপের মধ্যে আছে। সরকার যদি একতরফা নির্বাচন করে ফেলে তখন আন্তর্জাতিক কমিউনিটিগুলো সরকারের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবে। সেটা দেশের জন্য বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তফসিলের আগে জামিনে মুক্তি দেয়ার গুঞ্জন চলছে। সামনে সরকারের আচরণের ওপর নির্ভর করবে বিএনপি’র কর্মসূচির ধরন। সরকার যদি সিনিয়র নেতাদের মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করলে একরকম কর্মসূচি হবে। আর যদি গ্রেপ্তার দমনপীড়ন চালিয়ে যায় তাহলে বিএনপিও হার্ডলাইনে কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী বলেন, সরকার নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যেটা বাংলাদেশের জন্য চরম দুঃখজনক। এর থেকে উত্তরণ ঘটানো কঠিন হবে। অর্থনৈতিক, আন্তর্জাতিক ও সামাজিকভাবে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার যেকোনো মূল্যে নির্বাচন করা চেষ্টা করছে। তারা জানে নির্বাচন করতে না পারলে তারা একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবে। সেজন্য তারা একতরফা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এদেশের জনগণ সেটা মেনে নেবে না।

এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্‌জু বলেন, সরকার জেল জুলুমের ভয় ও নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিরোধী দল ও জোটে ভাঙন তৈরি এবং সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে কিংস পার্টি তৈরির মাধ্যমে প্রহসনের ইলেকশন করার চেষ্টা করছে। অতীতে যারা এসব করেছিল কেউই সফল হয়নি, এবারও সফল হবে না। ইনশাআল্লাহ জনতার সংগ্রাম আজ হোক কাল হোক সফল হবেই। সূত্রঃ মানবজামিন

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ