শেখ হাসিনাকে আপা আপা বলা কে এই তানভীর?
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪ ৪:২১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪ ৪:২১ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবের মুখে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।
ভারত বসে বাংলাদেশের রাজনীতি পর্যবেক্ষণ করছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী। তার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা আর রাজনীতি করবেন না। পরে অবশ্য ভোল পাল্টে জয় জানান, মা রাজনীতিতে আছেন, থাকবেন।
শেখ হাসিনাও সুযোগ বুঝে দেশে আসার অপেক্ষায়। সম্প্রতি এক প্রবাসীর সঙ্গে এক ফোনালাপে এমনটিই জানিয়েছেন আ্ওয়ামী লীগ সভাপতি।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শেখ হাসিনার ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওই ফোনালাপে তানভীর নামে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানে নিজেকে এখনো প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন হাসিনা। এছাড়া খুব দ্রুত দেশের ফিরবেন বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, তানভীর নিজেই বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের হাতে নির্যাতিত দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক সংবাদে এমনটাই বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানা যায়, তানভীর কায়সার ২০১৯ সালের ৪ জুন লস আঞ্জেল্স হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকেন। তার ভিসাটি ছিল ভ্রমণ ভিসা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের কিছুদিন পরই দাবি করেন যে, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে নির্যাতন করেছে। এজন্য তিনি নিজের নিরাপত্তা চান। পরে ২০২০ সালের ৭ মে দেশটিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। এরপর ২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি তার বাংলাদেশি পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় বলেও জানা গেছে।
ফোনালাপ ফাঁসে ভাইরাল হওয়া তানভীরের জন্ম ১৯৮৯ সালের ৭ ডিসেম্বর। তার বাবা সোলেমান কায়সার এবং মা নিলুফার ইয়াসমিন। তার স্ত্রীর নাম রুকাইয়া আযাদ। তবে এই তানভীর আওয়ামী লীগের কোন দায়িত্বে আছেন, কোন সূত্রে শেখ হাসিনার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছেন, সেটি এখনো জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে শেখ হাসিনার সঙ্গে অনেকেরই কথোপথনের অডিও ফাঁস হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ বিষয়টিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করছেন। তবে এসব কল রেকর্ড কীভাবে ফাঁস হচ্ছে তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।
জনতার আওয়াজ/আ আ