শেষমুহূর্তে নেদারল্যান্ডস ২-০ ব্যবধানে জয় পেল
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, নভেম্বর ২২, ২০২২ ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, নভেম্বর ২২, ২০২২ ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

দিনের প্রথম ম্যাচে গোল উৎসব দেখেছে ফুটবল ভক্তরা। দ্বিতীয় ম্যাচের প্রথমার্ধে তার উল্টা চিত্র দেখা গেল। সেনেগাল বনাম নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার ম্যাচের প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পেলেও শেষার্ধে ২-০ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিল ডাচরা।
তবে খেলার শেষ মুহূর্তে ৮৪ মিনিটে কোডি গ্যাকপো সেনেগালের জালে বল আটকান। এরপর ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ডেভি ক্লাসেন করেন ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি। তবে কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনে এক হাইভোল্টেজ ম্যাচের খেল দেখলো পুরো বিশ্ব। একদিকে বর্তমান আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন লায়ন অব টেরেঙ্গা খ্যাত সেনেগাল । অন্যদিকে ইউরোপের অন্যতম জায়ান্ট নেদারল্যান্ডস।
রাত ১০ টায় অনুষ্ঠিত আল থুমামা স্টডিয়ামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। গত বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া নেদারল্যান্ড স্বরুপে ফিরেছে কাতার বিশ্বকাপে। সারাবিশ্ব প্রাণবন্ত এক খেলা দেখলো।
দু’দলই আগ্রাসী ভূমিকায় খেলেছে যেন কেউ কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়নি। দুই দলের এই আগ্রাসী ভূমিকা থাকলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায় নেদারল্যান্ডস। ফলে শেষ সময়ে কোডি এবং ক্লাসেনের গোলে ডাচরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলো।
সোমবার দোহার আল থুমামা স্টেডিয়ামে ‘এ’ গ্রুপের এই ম্যাচে গতিময় ফুটবল উপহার দেয় দুই দলই।
তবে ফুটবল ঐতিহ্য ও শক্তিতে বেশ এগিয়ে সমৃদ্ধ ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডস। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে আসা সেনেগাল যে ছেড়ে কথা বলবে না সেটা ম্যাচের প্রথমার্ধে তারা দেখিয়ে দিয়েছে।
ম্যাচের ৫৩ ভাগ সময় নিজেদের পায়ে রাখেন ডাচ ফুটবলাররা। দখলে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে দুদলই ছিল প্রায় সমানে-সমান। বিরতির আগ পর্যন্ত সেনেগাল শিবিরে ১৫ বার আক্রমণ করে নেদারল্যান্ডস। যেখানে তারা ৪টি শট জালের লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল। তবে তার একটিও লক্ষ্যবস্তুতে নিতে পারেনি ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং-স্টিভেন বার্গুইনরা।
অপরদিকে সেনেগালের নিয়ন্ত্রণে ছিল ৪৭ ভাগ। বিপরীতে ১০ বার আক্রমণে যায় সেনেগাল। যার একটি আবার ছিল লক্ষ্যে। তবে সেখান থেকে সেনেগালও গোল আদায় করতে পারেনি। তবে দুই দলই লক্ষ্যে রাখতে পারেনি একটি শটও। ফলে প্রথমার্ধে মেলেনি গোলের দেখা।
সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচটিতে নেদারল্যান্ডসই পরিষ্কারভাবে ফেভারিট। পরিসংখ্যান-পারফর্ম অন্তত সেটাই বলে। তবে সেনেগালও যে ছাড় দেওয়ার মতো নয়, সেটা বিরতির আগ পর্যন্ত দেখিয়েছে তারা। অক্ষত রেখেছে জাল। ফলে লায়ন্স অব তেরাঙ্গা খ্যাত সেনেগালের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ইউরোপের গতির সাথে সমান বলের পজিশন পায়ে রেখেছে আলিউ সিসের শিষ্যরা। ফলে দুই দল গোল দেওয়ার যেমন সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনি গোল হজম করারও শঙ্কায় পড়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ওই গতি ও আক্রমণাত্মক ফুটবল ধরে রাখতে পারলে ডাচদের বিপদে ফেলে দিতে পারে টেরেঙ্গা খ্যাত সেনেগাল।
জনতার আওয়াজ/আ আ