শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি সহ ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের নিন্দা ও প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৩ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৩ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি সহ ১২ জন শ্রমিক নেতৃবেন্দকে বিনা ওয়ারেন্টে শ্রমিক সমাবেশ থেকে গ্রেফতারের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ
গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যার বিচার, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ, দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, আন্দোলনে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি, কর্মচ্যুতদের কাজে পুনর্বহাল ও নূন্যতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা ঘোষণার দাবিতে সম্মিলিত শ্রমিক পরিষদ-এসএসপি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কর্তৃক আজ ১ ডিসেম্বর ২০২৩, শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শ্রমিক সমাবেশ আয়োজন করা হয়। উক্ত শ্রমিক সমাবেশ শেষে প্রেস ক্লাব এলাকা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মেহেদী আলীসহ ১২ জন শ্রমিক নেতৃবেন্দকে পুলিশ গ্রেফতারের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শ্রমিক দলের প্রধান উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, শ্রমিক কর্মচারী জাতীয় কনভেনশন’২০২৩ এর প্রধান সমন্বয়ক – বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শ্রমিক দল সভাপতি আনোয়ার হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম ।
আজ এক বিবৃতিতে শ্রমিক দল নেতৃবৃন্দ বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যার বিচার, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ, দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, আন্দোলনে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি, কর্মচ্যুতদের কাজে পুনর্বহাল ও নূন্যতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি ও ভোটাধিকার, গনতন্ত্র পুনঃউদ্ধার, সর্বগ্রাসী দূর্নীতি বন্ধ, দ্রব্যমূল্যর লাগামহীন উর্ধগতির প্রতিবাদ, অবাধ ও নিরেপক্ষ নির্বাচন এবং শ্রমিকের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে শেখ হাসিনার পদত্যাগের ১ দফা দাবীতে যখন নেতৃবৃন্দ শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে, তখন স্বৈরাচারী সরকার মামলা, হামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে শ্রমিক সমাজের মাঝে ভীতির সঞ্চার করতে শ্রমিক দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে গণহারে গ্রেফতার করে কারান্তরীণ রেখে শ্রমিকদের দাবিদাওয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আবারও একতরফা নির্বাচন করে রাষ্ট ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে চাচ্ছে। বিএনপি-কে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দিয়ে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী তাদের গৃহপালিত কিছু রাজনৈতিক দলকে সাথে নিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে আবারও যেনতেন নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করতে এটি তাদের সুপরিকল্পিত মাষ্টারপ্ল্যান। তবে এবার ২০১৪ এবং ২০১৮ এর মতো নির্বাচন করতে দিবে না দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ। শ্রমিক-জনতা সম্মিলিতভাবে সরকারের সকল দুরভিসন্ধি নস্যাৎ করতে বদ্ধপরিকর। নির্যাতন-নিপীড়ণের মাত্রা যত বাড়বে বিএনপি শ্রমিক দলসহ বিরোধী নেতাকর্মী ও জনগণ আরও বলীয়ান হয়ে এই মাফিয়া সরকারকে বিতারিত করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেই ঘরে ফিরবে।”
শ্রমিক দল নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দকে মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতার পরবর্তী শারিরীক নির্যাতন বন্ধ করার দাবি জানান।
অন্যথায় এসবের পরিনাম ভালো হবেনা বলে হামলা, মামলা ও নির্যাতনে জড়িতদের হুশিয়ার করে দেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ