সংবিধানের ১২৩ (৩)এর(খ) অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দিন’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:৪৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সংবিধানের ১২৩ (৩)এর(খ) অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দিন’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০২৩ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০২৩ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
সংবিধানের ১২৩ (৩)এর(খ) অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দিন এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জা‌নি‌য়ে‌ছেন গণতন্ত্র মঞ্চ এর নেতৃ‌বৃন্দরা।

শ‌নিবার (২৩ ডিসেম্বর) শুক্রবার, বিকাল ৪ টায় ‘একতরফা ভোট বর্জন করুন’ এই আহবান নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র মঞ্চের গণসংযোগপূর্ব সমাবেশে এ আহবান ক‌রেন তারা।

গণসংযোগপূর্ব সমাবেশ থেকে ৭ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা জারি রেখে বলা হয়, দেশ একটা ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রধানমন্ত্রী নিজেও সেকথা জানেন; এজন্যই তিনি দুর্ভিক্ষের কথা বলছেন। দেশে যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হতে যাচ্ছে, তা সামাল দিতে তিনি পারবেন না, সেটা জানেন। এরই মধ্যে লোপাটকৃত ৯২ হাজার কোটি টাকার গরমিল সামনে এসেছে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সংবিধানের কথা বলে যারা ভুয়া নির্বাচন ও প্রহসনের নির্বাচন করছেন তারা জনগণের চোখে ধুলা দিতে পারবেন না, কেননা সংবিধানের আর্টিকেল নং ১২৩ (৩)এর খ-তে এখনো সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন করার পরিস্থিতি আছে। নতুন অধিবেশন ডেকে এরপর আরো সে-সময় থেকে ৯০ দিন পর নতুন নির্বাচন দেয়া যাবে। কাজেই সংবিধানের দোহাই খাটে না। এই নির্বাচন স্থগিত করে, তফসিল বাতিল করে এবং সমস্ত আন্দোলনকারী শক্তির সাথে বসে নতুন নির্বাচনের আহবান জানান।

তারা বলেন, একদিকে বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য গণতন্ত্র মঞ্চ যেমনি লড়বে তেমনি সেই রক্ষার ভিত্তি হবে ৩১ দফা। এই ৩১ দফায় রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থা সংস্কারের বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। বাংলাদেশেকে জাতীয় ভয়ঙ্কর সংঘাতময় পরিস্থিতি এবং গণতন্ত্রহীনতা থেকে উদ্ধার করতে হলে নতুন এই বন্দোবস্তের বিকল্প নাই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, এরা (আওয়ামী লীগ) দেশে যা খুশি তাই করছে। নির্বাচন নিয়ে নাটক ও তামাশা। এখন নির্বাচনী নাটকে কে কে অভিনয় করবে সেটা শেখ হাসিনা একাই ঠিক করেছেন। ডামি প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, বিদ্রোহী ও নৌকার প্রার্থী এরপর নাটকটা হবে। এরকম খেলা খেলতে যদি এভাবেই একতরফা ভোট যদি সম্পন্ন করেন জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আজ হুমকীর সম্মুখীন। সমস্ত বিরোধী জলে স্থলে অন্তরীক্ষে আজ নৌকা বানিয়েছে। মাদারীপুরে নিজেদের প্রার্থীকে কুপিয়ে মেরে ফেলছে। আর শান্তিপূর্ণ বিরোধিতাকারীদের ওপর তারা পরিকল্পিত নাশকতার দায় চাপাচ্ছে। ইনু মেননের রাজনীতি শেষ, স্বতন্ত্র রাজনীতি বলে কিছু নাই; তারা নৌকা ছাড়া এমনকি নির্বাচনও করতে পারছে না।

বাংলাদেশের মানুষকে আওয়ামী লীগ ভেড়ার পাল বানাতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করে তার সমস্ত বিজয় নিয়ে এসেছে। কাজেই আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র টিকবে না। জনগণ আন্দোলন করে এমন ব্যবস্থা কায়েম করবে যাতে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়, জনগণ বাজারে ন্যায্যমূল্যে তার সমস্ত জিনিসপত্র কিনতে পারে। আজকের এই দুঃশাসন থাকবে না, জনগণ জনসমুদ্রের মতো গণঅভ্যুত্থান করে এদের পতন ঘটাবে।

সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আজকে গোটা জাতির মধ্যে যে বিষবাষ্প যারা ছড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে জয়লাভ করবেই। নির্বাচনের নামে খেলা, ভোটের খেলা; যেটাই খেলছে সরকার, টিকবে না। বাংলাদেশ মুক্তিকামী মানুষ এই অবৈধ সরকারের তামাশার নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। ৭ তারিখ ভোট বর্জনের মাধ্যমে প্রমাণ করবে আওয়ামী লীগ সরকারের ফ্যাসিবাদী শাসন জনগণ বরদাশত করবে না। মুক্তিযুদ্ধের সাথে বিশ্বাসঘাতকতাকারী, গণতন্ত্রের কবর রচনাকারী শেখ হাসিনার পতন হবেই হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ