সংরক্ষিত আসন: এনসিপিতে এগিয়ে মনিরা শারমিন ও মাহমুদা মিতু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:২৯, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সংরক্ষিত আসন: এনসিপিতে এগিয়ে মনিরা শারমিন ও মাহমুদা মিতু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ ৭:২৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ ৭:২৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ফলে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে একজন সদস্য মনোনয়নের সুযোগ পাচ্ছে দলটি। কে হচ্ছেন সেই প্রার্থী- এ নিয়ে দলটির ভেতরে আলোচনা জোরদার হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিক অবদান, রাজনৈতিক এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা-প্রার্থী চূড়ান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। দলটির দায়িত্বশীল একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের জন্য কয়েকজন নেত্রীর নাম আলোচনায় থাকলেও দুজনকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে। তারা হলেন– নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং দলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত খবরের কাগজকে বলেন, সংরক্ষিত নারী প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে আলোচনা চলছে। প্রাথমিকভাবে কয়েকজনের নাম বিবেচনায় রয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তা দ্রুত জানানো হবে।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, তৃণমূল ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মনিরা শারমিনের নাম নিয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এনসিপি-জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠন করলে দলের ভেতরে একপর্যায়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। দলের শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত ২০ নেতা-কর্মীর পদত্যাগের ঘটনাও ঘটে। সে সময় মনিরা শারমিন সক্রিয় ভূমিকা রেখে দলকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে কাজ করেন বলে দলের নেতারা উল্লেখ করেছেন। সংকটময় সময়ে তার সাংগঠনিক তৎপরতা এবং নেতৃত্বগুণ তাকে সংরক্ষিত আসনের আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করে দল।

অন্যদিকে ডা. মাহমুদা মিতুও আলোচনায় রয়েছেন। ঝালকাঠি-১ আসন থেকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। তবে পরে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকায় এনসিপির জোট প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান ডা. মিতু। এনসিপির ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানায়, সে সময় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

এ ছাড়াও নির্বাচনি প্রচারের সময় সারা দেশে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন জনসভা ও পথসভায় অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন ডা. মিতু। তার সক্রিয় উপস্থিতি এবং মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতাও তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রেখেছে।

এনসিপির মিডিয়া কমিটির এক নেতা জানান, সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে দলীয় বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। প্রথমদিকে মনিরা শারমিনের নাম বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, পরে ডা. মাহমুদা মিতুর নামও সমানভাবে আলোচনায় এসেছে।

দলের মিডিয়া কমিটির প্রধান মাহবুব আলম বলেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সিদ্ধান্ত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানানো হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ