সরকার নিশ্চিত পতন বুঝতে পেরে মরণ কামড় দিতে শুরু করেছেঃ রকিবুল ইসলাম বকুল
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, আগস্ট ১, ২০২২ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, আগস্ট ১, ২০২২ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ

ফকির শহিদুল ইসলাম,খুলনা
আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, পুলিশ দিয়ে হামলা করে, হত্যা করে, মামলা দিয়ে ও গুম করে আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্য থেকে দূরে সরানো যাবে না। অচিরেই বাংলাদেশে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। সকল অনাচারের বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে এবং আইন কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে অবৈধ সরকারকে। নিশিরাতের সরকার নিজেদের পতন আঁচ করতে পেরেই মরণ কামড় দিতে শুরু করেছে। তারা জনগণের সাথে ভাঁওতাবাজি, অসত্য বক্তব্য এবং বিরোধী দলের জীবন হরণে লিপ্ত রয়েছে। একদিকে সরকার সভা-সমাবেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের লেলিয়ে দিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা ও আহত করছে, আবার অন্যদিকে নিজেদেরকে গণতন্ত্রী বলে দাবি করছে।
তিনি আজ সোমবার (০১ আগস্ট) দুপুর ১২টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ভোলায় ‘পুলিশের হামলায়’ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিম নিহতের ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিএনপির দুইদিনের কর্মসুচির অংশ হিসেবে প্রথম দিনে খুলনা মহানগর ও জেলার বিএনপির উদ্যোগে গায়েবানা জানাজা পুর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এ কথা বলেন ।
এ সময় খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, গণতন্ত্র হত্যা করে অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে বর্তমান সরকার নানা ধরনের সর্বনাশা সহিংসপন্থা অবলম্বন করেছে। গণবিক্ষোভের বিস্ফোরণ ঠেকানোর জন্যই দলীয় চেতনায় সাজানো প্রশাসন ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্র দিয়ে মাঠে নামিয়েছে। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে প্রতিদিনই বিএনপি নেতাকর্মীদের রক্ত ঝরছে। বিএনপির কর্মসূচির কথা শুনলেই আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী প্রশাসন বিচলিত হয়ে পড়ে।
গায়েবী জানাজায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি আমির এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, স ম আ. রহমান, অ্যাড. নুরুল হাসান রুবা, কাজী মাহমুদ আলী, আজিজুল হাসান দুলু, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, মাহাবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, জুলফিকার আলী জুলু, তৈয়েবুর রহমান, শামীম কবির, আশরাফুল আলম নান্নু, এনামুল হক সজল, শেখ জাহিদুল ইসলাম, আ. রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, ওয়াহিদুর রহমান দিপু, শাহিনুল ইসলাম পাখি, রুবায়েত হোসেন বাবু, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, কে এম হুমায়ুন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী মিজানুর রহমান, এহতেশামুল হক শাওন, অ্যাডভোকেট চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার, একরামুল কবির মিল্টন, নাজির উদ্দিন নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, হাবিব বিশ্বাস, শেখ জামাল উদ্দিন, আফসার উদ্দিন মাস্টার, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আনসার আলী, নাসির খান, আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, নাজমুল হুদা সাগর, ফারুক হোসেন হিল্টন, তারিকুল ইসলাম, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মো. জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আক্কাস আলী, শেখ ফারুক হোসেন, মুজিবর রহমান, মাসুদ খান বাদল, এড. আব্দুল মজিদ, জি এম রফিক, মনিরুজ্জামান লেলিন, মুর্শিদুর রহমান লিটন, আরিফুর রহমান আরিফ, এবাদুল হক রুবায়েত, মার্শলা ভূইয়া, রফিকুল ইসলাম বাবু, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আতাউর রহমান রুনু, মনির হাসান টিটো, এস এম এনামুল হক, সামসুল বারী পান্না, ইশতিয়াক হোসেন ইসতি, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, তাজিম বিশ্বাস, গোলাম মোস্তফা তুহিন, আনোয়ার হোসেন আনো, জাবির আলী প্রমূখ। গায়েবানা জানাজার পুর্বে নেতাকর্মীরা কালো ব্যাচ ধারন করেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ