সাহাবুদ্দিন চুপপু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ায় পাবনায় আনন্দ মিছিল - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:০৫, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সাহাবুদ্দিন চুপপু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ায় পাবনায় আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৩ ৩:২৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৩ ৩:২৯ অপরাহ্ণ

 

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন পাবনার কৃতিসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপপু। দলের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণার পর থেকে পাবনায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আজ রোববার সকালে তার মনোনয়ন পাওয়ার খবর প্রকাশের পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে পাবনা শহরে আনন্দ মিছিল বের করে আওয়ামী লীগ।

এদিন জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, ফুটপাতের দোকানসহ পথচারীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

পাবনা থেকে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ।

সাহাবুদ্দিন চুপপু ১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ১৯৭৪ সালে পাবনা জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭১ সালে পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে সংঘটিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর কারাবরণ করেন চুপপু।

পেশায় একজন আইনজীবী সাহাবুদ্দিন চুপপু ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডার হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব নির্বাচিত হন তিনি। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২৫ বছর পর ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর ওপর যে হামলা হয় এবং হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে, সেসব ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিশনের প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপপু। এ ছাড়া ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপপু দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সাহাবুদ্দিন চুপপু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য। আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলের বাবা। স্ত্রী প্রফেসর ড. রেবেকা সুলতানা সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ