সিগারেটের দাম বাড়লেও কমেনি ব্যবহার’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৪৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সিগারেটের দাম বাড়লেও কমেনি ব্যবহার’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪ ১১:০৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪ ১১:০৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সিগারেটের দাম বেড়েছে। অথচ এখনও এর ব্যবহার কমেনি। বিভিন্ন প্রচারণার কারণে সিগারেটের জনপ্রিয়তা আরও ছড়িয়েছে। প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি বন্ধের পাশাপাশি দোকানগুলোতে সিগারেটের বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। বিশ্বজুড়ে ধূমপানের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমবর্ধমান। এর অন্যতম কারণ সিগারেটের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা। বলেছেন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. ইমাম রাজী টুলু।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক মুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়রের (ডর্‌প) সঙ্গে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে যুব সমাজ ও স্থানীয় প্রশাসনের করণীয় বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইউএনও ইমাম রাজী টুলু বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে ধূমপানমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মতো অনেক দেশ কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে। কিন্তু আমাদের দেশে এখনও এই বিজ্ঞাপন প্রচলিত আছে। মানুষকে সহজেই আকৃষ্ট করছে। অর্থনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন জনগণের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিগারেটের দাম বেড়েছে। অথচ এর ব্যবহার কমেনি। আমাদের উচিত তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ করার কঠোর নীতি গ্রহণ করা। জনসাধারণের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

সভায় তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য এফসিটিসির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রণীত খসড়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— অধূমপায়ীদের সুরক্ষার জন্য সকল প্রকার পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বিলুপ্ত করা, তামাক পণ্যের প্রচার বন্ধ করার জন্য বিক্রয় কেন্দ্রে তামাক পণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা।

তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেট বা ইমার্জিং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করা, তামাক পণ্যের সকল প্রকার খুচরা ও খোলা বিক্রয় বন্ধ করা ও সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন গুরুত্ব আরোপ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডর্‌প-এর তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর রুবিনা ইসলাম সঞ্চালনা করেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা ডা. এস এম মনজুর-এ-এলাহী। উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী, ডর্‌প মা—সংসদ এবং যুব ফোরামের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, ডর্‌প ১৯৮৭ সাল থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত এবং মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রবর্তনকারী সংস্থা হিসেবে সমধিক পরিচিত। এরই ধারাবাহিকতায় ডর্‌প বর্তমানে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও তামাক কর বৃদ্ধি বিষয়ে কাজ করছে। সরকারের টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ