সিঙ্গাপুরকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৩:২৫, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সিঙ্গাপুরকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২৩ ৯:১৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২৩ ৯:১৯ অপরাহ্ণ

 

স্পোর্টস ডেস্ক
র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের থেকে এগিয়ে সিঙ্গাপুরের নারী ফুটবলাররা। এতো এগিয়ে থেকেও বাংলাদেশের কাছে পাত্তাই পেল না তারা। সিঙ্গাপুরের জালে এবার গুনে গুনে আটবার বল পাঠালেন সাবিনা-তহুরারা।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) কমলাপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ফিফা প্রীতি ম্যাচে সিঙ্গাপুরকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। এতে করে সফরকারীদের সাথে দুই ম্যাচের সিরিজ জিতল ২-০ ব্যবধানে। ২০২৩ সালের নিজেদের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশ নারী দল জিতেই বছরের ইতি টানল।

কমলাপুর স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে সিঙ্গাপুরকে তিন গোল দেয় বাংলাদেশ। আর দ্বিতীয়ার্ধে আরও পাঁচ গোল হজম করে বাংলাদেশের নারী দল থেকে র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলটি। দ্বিতীয় হাফে গোল করেন সানজিদা আক্তার, ঋতুপর্ণা চাকমা, সাবিনা খাতুন, সুমায়া মাতসুশিমা ও শামসুর নাহার। প্রথমার্ধেও একটি গোল দিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা। তহুরা খাতুন প্রথম হাফে দুই গোল দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় হাফে একটি গোল অফসাইড হওয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়।

এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ওপর আক্রমণের পসরা সাজায় বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে সিঙ্গাপুরের রক্ষণে। প্রথম গোলটি আসতে পারত তিন মিনিটে। তবে সাবিনা ও তহুরা কাজে লাগাতে পারেনি সুযোগ। ভাগ্য সহায় হলে ১২ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুরের অর্ধে আক্রমণে উঠে এসে দারুণ বাঁকানো শট নিয়েছিলেন সাবিনা। কিন্তু দূরের পোস্টে কেউ না থাকায় পোস্ট ঘেঁষে তা বাইরে চলে যায়।

এই সুযোগের ৫ মিনিট পরেই লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিকে বক্সের মাথা থেকে সাবিনার ফ্রি-কিক থেকে আফিদার ভলি যায় মাসুরার সামনে। তিনি হেড নিলে বল যায় তহুরার কাছে। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করা তহুরা খাতুন সুযোগ মিস করেননি। হেডে বল জড়িয়ে দেয় জালে।

প্রথম গোলের পর দ্বিতীয় গোল পেতেও বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। এবার গোল করেন ঋতুপর্ণা। আক্রমণের সূচনায় এবারও ছিলেন সাবিনা। তার নেওয়া কর্নার থেকে জটলায় বল পায় বাংলাদেশ। আর এতেই গোল।

গোলের সামনে ক্ষুরধার তহুরা এক গোলেই খুশি থাকেননি। ২৪ মিনিটে আরও একবার সিঙ্গাপুরের জালে বল জড়ান তিনি। এবার সতীর্থের বাড়ানো বলে সিঙ্গাপুরের এক খেলোয়াড় ও গোলরক্ষকের বাধা এগিয়ে গোল করেন তিনি। পরে আর চেষ্টা করেও বিরতির আগে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি বাংলাদেশের নারীরা।

বিরতির পর ৫৭ মিনিটে সানজিদা ব্যবধান ৪-০ করেন। বাঁ দিক দিয়ে ঋতুপর্ণা বল নিয়ে পাস দিয়েছিলেন তহুরাকে। তহুরার শট সিঙ্গাপুরের গোলকিপার ফেরালেও সানজিদা প্লেসিংয়ে বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি।

দলের পঞ্চম গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। মনিকা চাকমার বাড়ানো বল ধরে বাম দিক দিয়ে দুই খেলোয়াড়কে কাটিয়ে বা পায়ের ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই দাপুটে ফুটবলার।

৭৫ মিনিটে দলের ষষ্ঠ গোল করেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। ডান দিক থেকে বদলি শামসুন্নাহারের ক্রসে সাবিনা ডান পায়ের প্লেসিংয়ে বল পাঠান জালে। ৮৭ মিনিটে সপ্তম গোল করেন বদলি মাতসুসিমা সুমাইয়া।

এখানেই শেষ হয়নি। ইনজুরি সময়ে আরও একবার সিঙ্গাপুরের জালে বল পাঠায় বাংলাদেশ। এবার বাঁ দিক থেকে ঋতুপর্ণার ক্রস থেকে বদলি শামসুন্নাহার প্লেসিংয়ে ৮-০ করেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ