সীমিত সম্পদ নিয়েই প্রকৌশলীরা দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন: মতিয়া - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৪৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সীমিত সম্পদ নিয়েই প্রকৌশলীরা দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন: মতিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, মে ১৪, ২০২৩ ২:১৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, মে ১৪, ২০২৩ ২:১৩ অপরাহ্ণ

 

সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সাহিত্যের ছাত্রী হলেও শুধু জানার আগ্রহ থেকে তিনি একজন আধুনিক প্রযুক্তিবিদের মতোই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলছেন। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি উন্নয়নই একটি দেশের মূল উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত। আর সেই উন্নয়ন করতে সীমিত সম্পদ নিয়েই প্রকৌশলীরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

রবিবার (১৪ মে) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের ৬০তম কনভেনশনের জাতীয় সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।

আইইবির এবারের জাতীয় সেমিনারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন প্রিপারেডনেস ইন সোসাইটি এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’।

সেমিনারে সংসদ উপনেতা বলেন, বঙ্গবন্ধু মাটি এবং মানুষ দিয়েই সাড়ে তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের কাঠামো দাঁড় করিয়েছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী আরো বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই কাজ শুরু করে দিয়েছিল। এখনও চতুর্থ শিল্প কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন৷ তিনি বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করছেন সাহসের সাথে।

বিদেশিরা যারা সমালোচনা করতো তাদের প্রসঙ্গে উপনেতা বলেন, বাংলাদেশের সফলতা দেখতে এখন বিদেশিরা বাংলাদেশে আসছেন। এদেশ থেকে পরামর্শ চাচ্ছেন। জলে, স্থলে ও অন্তরীক্ষে উন্নয়নে প্রকৌশলীরা কাজ করে যাচ্ছেন৷

সেমিনারের সভাপতির বক্তব্যে আইইবির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুল হুদা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ভিশনারি সরকার। ২০০৯ সালে এসে ‘দিন বদলের স্লোগান’ দিয়েই আগামী ১০০ বছর পর কেমন বাংলাদেশ হবে তার ভিশন তৈরি করে রেখেছেন।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রকৌ. মাহফুজুল ইসলাম পিইঞ্জ বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা এখন আর বেসিক শিক্ষার জায়গায় নাই। কারণ বেসিক শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বে টিকে থাকার সময় শেষ হয়ে গেছে। বিশ্বের সব দেশই এখন চাকরি কেন্দ্রীক শিক্ষার দিকে ফিরে যাচ্ছে। যেমন, মোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, এলইডি ইঞ্জিনিয়ারিং, সাইবার সিকিউরিটি, ডাটা সাইন্স, রোবটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এই ধরনের বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে যেন দেশের জনগণ আগামী বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারে। আমার বিশ্বাস, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ২০৪১ সালের মধ্যেই বিশ্বে নেতৃত্ব দিবে।

আইইবি’র সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ. শেখ তাজুল ইসলাম তুহিনের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন আইইবির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুজ্জামান, সহকারী সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবুল কালাম হাজারী, ইঞ্জিনিয়ার মো. রনক আহসানসহ আইইবির ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, আইইবির বিভিন্ন সেন্টার, সাব-সেন্টারের নেতৃবৃন্দ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ