স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকার আহ্বান মতিয়া চৌধুরীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২০, ২০২৩ ৮:০৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২০, ২০২৩ ৯:৪২ অপরাহ্ণ

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের সব মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদ উপনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে স্মার্ট বাংলাদেশ রচিত করে যাচ্ছেন, সেই স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি ভূমি হলো কুদরত-এ-খুদা কমিশন। যেটি বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমরা যারা উন্নত জীবন চাই, আমাদের কর্তব্য শেখ হাসিনা যেন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারেন এর জন্য দৃঢ়তার সঙ্গে তার পাশে দাঁড়ানো।
আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাংলার মানুষ যেন ক্ষুধায় অন্ন পায়, পরনে বস্ত্র পায়, রোগের চিকিৎসা পায় এবং শিক্ষার আলোতে আলোকিত হয়। এখন কমিউনিটি ক্লিনিকে ২২ রকমের ওষুধ পাওয়া যায়। এটা কেউ ভেবেছিল? বঙ্গবন্ধুকে যদি হত্যা করা না হত তাহলে তিনি শুধু স্বাধীন দেশ নয়, বাংলাদেশকে একটি আধুনিক ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে পারতেন।
ভোটার তালিকায় পিতার নামের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মায়ের নাম যুক্ত করেছেন এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, পৃথিবীর কয়টি দেশে পিতার নামের সঙ্গে মায়ের নাম আছে। এটা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। এটা শেখ হাসিনা বাধ্যতামূলক করেছেন। মাতৃত্ব প্রমাণীত সত্য আর পিতৃত্ব স্বীকৃত সত্য।
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবরের আত্মজীবনী পাঠের পরামর্শ দিয়ে ছাত্রলীগকে উদ্দেশ করে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, বাবরের আত্মজীবনী পাঠ করতে হবে যিনি পরগনার মতো একটি ক্ষুদ্র রাজ্যের নৃপতি হয়ে ঝড়-ঝঞ্ঝা, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, জঙ্গল পাড়ি দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে একটি তলোয়ার হাতে নিয়ে বেড়িয়ে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই আত্মজীবনীর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী মিল রয়েছে; আধুনিক গণতান্ত্রিক সমাজে কিভাবে ঝড়-ঝঞ্ঝা নানা বিপত্তি পাড়ি দিয়ে; জেল-জুলুম নির্যাতন সহ্য করে বঙ্গবন্ধু এই দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।
জনতার আওয়াজ/আ আ