হত্যাচেষ্টার’ শিকারদের খোঁজ মেলেনি, হাসিনা-জয়ের অব্যাহতি চায় পিবিআই
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, জানুয়ারি ১২, ২০২৬ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, জানুয়ারি ১২, ২০২৬ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার ১১৩ জন আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ধানমন্ডি থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পিবিআই প্রতিবেদন অনুযায়ী ১১৩ জনকে মামলার বাইরে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ৪ আগস্ট ধানমন্ডির সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে সাহেদ আলী আহত হন। একই সময় ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ ৯ জন আহত হয়েছিলেন। ঘটনার পর সাহেদ আলীর ভাই শরীফ নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকালে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআইয়ের পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ মামলাটি তদন্ত করেন এবং প্রতিবেদনে তথ্যগত অসঙ্গতি উল্লেখ করে ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন। তদন্তে দেখা গেছে, জুলাই আন্দোলনে আহতদের নাম সরকারি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ কারণে মামলায় উল্লেখিত আহতদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে পরবর্তীতে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন সাহেদ আলী, রাশেদ, জুয়েল, মাহমুদ, নাহিদ, রাসেল, মিরাজ, জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈমা, আইশ আক্তার ও সাম্মি আক্তার। বিভিন্ন হাসপাতালে অনুসন্ধান করা হলেও এইদের কেউ পাওয়া যায়নি।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলা সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের জন্য বাদী শরীফের বাসায় নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বাড়িওয়ালা জানান, সেখানে কেউ থাকেন না। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে জানা যায়, বাদীর সঠিক নাম শরিফুল ইসলাম এবং তিনি লক্ষ্মীপুর সদরের ১৪ নম্বর মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তদন্তে দেখা যায়, ভুক্তভোগী দীর্ঘদিন হাজির হননি এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র সরবরাহ করেননি। মামলার সাক্ষীরাও পাওয়া যায়নি।
জনতার আওয়াজ/আ আ