হাসিনার পদত্যাগ: রাষ্ট্রপতির দুই রকম বক্তব্যে সমন্বয়কদের হুঁশিয়ারি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:১০, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

হাসিনার পদত্যাগ: রাষ্ট্রপতির দুই রকম বক্তব্যে সমন্বয়কদের হুঁশিয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০২৪ ৭:৩৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০২৪ ৭:৩৪ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পলায়নের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। সেদিন জাতির উদেশ্য দেওয়া ভাষণে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি শেখ হাসিনার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপর সুপ্রিম কোর্টের মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মাঝখানে শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র নিয়ে প্রশ্ন চাউর হলেও তা দমে যায়।

নতুন করে আবারো আলোচনায় এসেছে শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে। সাপ্তাহিক রাজনৈতিক ম্যাগাজিন ‘জনতার চোখ’ ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরে। সেখানে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘শুনেছি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আমার কাছে কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। বহু চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হয়ত সময় পাননি।’

রাষ্ট্রপতির দুই ধরনের এমন কথায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনে আবারও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। আজ সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সারজিস আলম তাতে লিখেছেন, ‘১৬ বছরের অন্যায়, অত্যাচার, কুকর্মের উপযুক্ত শাস্তি না পেয়ে সন্ত্রাসীরা বের হয়ে আসার চেষ্টা করছে৷ আমরা আবার রাজপথে নামার আগে এসব খুনি ও তাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করুন৷’

এদিন দুপুরে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ফেসবুক পোস্টে সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ‘হাসিনাকে উৎখাত করা হয়েছে; একটি অবৈধ সরকারকে জনগণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করেছে। এখানে পদত্যাগপত্রের কোনো ভূমিকা নেই।’

গত ৫ আগস্ট দুপুরে ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জানান, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এবং একটি সামরিক বিমানে করে ভারতের চলে গেছেন। পদত্যাগের জন্য খুব অল্প সময় দেওয়া হয়েছিল তাকে।

এরপরে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় তার পেছনে দারিয়ে ছিলেন সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী এবং বিমান বাহিনীর প্রধানরা। ওই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বঙ্গ ভবনে তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন সমন্বয়কের সঙ্গে আলোচনা হয়। আলোচনা একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ভাষণে সংসদ বিলুপ্তির ঘোষণাও দেন রাষ্ট্রপতি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ