হাসিনার মতো জাতীয় পার্টিরও বিচার করতে হবে :সোহেল
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫ ১:১৭ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫ ১:১৭ পূর্বাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেছেন, হাসিনার মতো জাতীয় পার্টিরও বিচার হতে হবে। কারণ তারা দু’জন দুজনার। তাদের গুরু এক, কেবলাও এক। হাসিনা নরেন্দ্র মোদির পা ধরেছেন। জাপাও সে পথে হাঁটছে। তবে বাংলাদেশের কোনও ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে আমরা ছাড়বো না।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে গণঅধিকার পরিষদের সংহতি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিন দফা দাবিতে এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের নেতারা।
হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, জাতীয় পার্টি ধোয়া তুলশী পাতা নয়। বিগত দিনে হাসিনার লুটপাট থেকে তারাও বঞ্চিত হয়নি। নুরুল হক নুরের ওপর কারা হামলা করেছে—তা দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে। না হয় আমরা আবার এক হয়ে লড়বো।
তিনি বলেন, দেশে শেখ হাসিনার অধ্যায় মৃত। কোনও পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার আর ফিরে আসার দৃষ্টান্ত নেই। বঙ্গোপসাগরের জলরাশি শেষ হবে। কিন্তু হাসিনার ফিরে আসার স্বপ্ন আর পূরণ হবে না।
বিএনপির এই নেতা বলেন, নুরুল হক নুরের ওপর হামলার দৃশ্য দেখে প্রথমে মনে করেছিলাম পুরনো ঘটনা। পরবর্তী সময়ে সঠিকটা জেনে হতবাক হয়ে গেলাম। ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলেও সে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। তাহলে এ সরকারের সময়ে কারা হামলা করলো। তাদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে। আমার মনে হয় প্রশাসনে এখনও হাসিনার আন্ডা-বাচ্চারা সক্রিয় আছে।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, আমাদের আদর্শগত পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আমাদের এক শরীর, এক মন ও এক রক্ত। ফ্যাসিবাদের জায়গা আর হবে না। বাংলাদেশ আর কখনও অন্য দেশের পুতুল হবে না। ১৯৮৬ সালে ছাত্র আন্দোলনে যখন এরশাদ পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন তার সঙ্গে লংড্রাইভে গিয়ে শেখ হাসিনা তাকে টিকিয়ে রেখেছিলেন।
আবার কেউ কোনও জুলাই যোদ্ধার শরীর থেকে রক্ত ঝরালে, তাদের পরনে কী পোশাক তা দেখার সময় আমাদের নেই। নুরের ওপর হামলার বিচার না হলে রাজপথে আমরাই সবার আগে থাকবো, বলেন হাবিব উন নবী খান সোহেল।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তি, জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের বিচার, নিবন্ধন বাতিল ও রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জনতার আওয়াজ/আ আ