৩০দিনে ও রাসেলের সন্ধান মিলেনি, পরিবারে আহাজারি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:১২, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

৩০দিনে ও রাসেলের সন্ধান মিলেনি, পরিবারে আহাজারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, জুলাই ৩০, ২০২৪ ১১:০৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, জুলাই ৩০, ২০২৪ ১১:০৭ অপরাহ্ণ

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুরের এক সিনিয়র সাংবাদিকের পূত্র মোঃ আতকুর রহমান রাসেল এর সন্ধান গত ৩০ দিনে ও মিলেনি।স্বজনের শোকে পরিবারে সদস্যরা পাগল প্রায়। দীর্ঘ ১মাস তার সন্ধান করতে না পেরে একবার ডিবি অফিসে একবার ডিএমপিতে একবার র‌্যাবে সহ ঢাকাস্থ বিভিন্ন থানায় খোজ করে ও তার হদিস করতে পারেনি। কেউ স্বীকারই করছেন না তাকে আটক বা গ্রেফতার করেছে বলে। গত ১ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকার আজিমপুর এলাকা থেকে রাসেল নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা শরীয়তপুর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি স্থানীয় সপ্তপল্লী সমাচার পত্রিকার সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন সরদার ২ জুলাই ঢাকার লাল বাগ থানায় একটি সাধারন ডাইরী করেছেন। যার ডাইরী নং ৮০ তারিখ ০২/০৭/২০২৪ । এরপর ৬ জুলাই লালবাগ জোনের পুলিশের ডিসির কাছে ও একটি আবেদন করেছেন। যাহা মহাপুলিশ পরিদর্শক ও পুলিশ কমিশনার ডিএমপি কে অনুলিপি দেয়ো হয়েছে। এরপর পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কমপক্ষে ৫/৬ উর্দ্ধতন কর্মকর্তার মাধ্যমে চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে ডিবি অফিসে ও দায়িত্বশীল কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে মোবাইল ট্যাকিং করে রাসেলের অনুসন্ধানের জন্য তদবীর করা হয়। ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছাড়া কেউ দায়িত্ব নিয়ে রাসেলের সন্ধান করতে তেমন কোন আগ্রহ বা জোর চেষ্টা করেননি।বিশেষ করে লালবাগ থানার পক্ষথেকে অনুসন্ধানের জন্য সন্তোষজনক তেমন কোন উদ্যোগই নেয়া হয়নি। রাসেলকে ধরে নেয়ার পর ৩/৪ দিন পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি চালু করে তার ফেইসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ কে বা কারা চালু করেছে । এর পরও জানি পুলিশের পক্ষথেকে তদন্তে স্থবিরতা কেন বোধগম্য নয়। এতে করে মনে হয় প্রশাসন তাকে ধরে নিয়ে আটকে রেখেছে। এটা মোবাইল ট্যাকিংয়ে পুলিশ হয়তো বুঝতে পেরে নিরবতা পালন করছেন। তানাহলে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তিরএ যুগে পারেনা এটাহতো পারেনা। এটা কানারে হাইকোর্ট দেখানো বইকিছু নয়। আতিকুর রহমান রাসেল ঢাকা কলেজ থেকে অনার্স মাস্টার্স পাশ করে ইতোমধ্যে তিনি অনেক দেশ ভ্রমন করেছেন। স্থায়ী ভাবে বিদেশ গমনের জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন। সে দীর্ঘ ১০/১২ বছর যাবত আজিমপুর এলাকায় ফ্লাট ভাড়া করে মেসে থাকতেন।ঐ এলাকায় সকলের কাছেই সে অনেক পরিচিত ও প্রিয়। তার আচার আচরন নম্র ,ভদ্র ও বিনয়ী। এলাকায় ও তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।
এ দিকে রাসেলের বাবা, মা হারা সন্তানের সন্ধান করতে গত ১০ জুলাই উচ্চআদালতের স্বরনাপন্ন হয়ে রিট করেছেন। আদালত ১১ জুলাই পুলিশের আইজিপিকে রুল জারি করেছেন বলেছেন রাসেলের বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে। এরপরে ও তদন্তের কোন অগ্রগতি হয়নি। দীর্ঘ এক মাস ছেলের সন্ধান করতে তিনি ঢাকার পথে পথে ঘুরছেন। তিনি এখন পাগল প্রায়। তার আহাজারিতে আকাশ বাতাশ ভারী হয়ে যায়। না খেতে না খেতে মারাত্নকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে তার ছেলের সন্ধান চান। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে তাকে আদালতে হাজির করা হোক এ দাবী করেন। এক প্যান্ট ও একজামা পরিহিত আজ ১মাস হয়ে গেল। কোথায় কি অবস্থায় রেখেছে কেমন আছেন জানেন না। এ কথাগুলো চিন্তা করে তার বাবা বার বার মুর্ছা যান। তিনি প্রধানমন্ত্রী সহ আইনশৃংখলা বাহিনীর উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নিকট তার ছেলেকে তার বুকে ফিরিয়ে দিতে বিনীত ভাবে অনুরোধ জানান। কেন না রাসেলতো সম্প্রতি কোন আন্দোলন সংগ্রামের সাথে জড়িত নয়। দয়া করে তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে জোর অনুরোধ করেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ