৭২ বছর পর ভাষাসৈনিক ছালেহা বেগমকে (মরোনোত্তর) স্বীকৃতি
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, মার্চ ১১, ২০২৪ ২:১২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, মার্চ ১১, ২০২৪ ২:১২ অপরাহ্ণ

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা,বিশেষ প্রতিনিধি
১০ মার্চ ২০২৪ রবিবার সন্ধায় রাজধানীর হোটেল অরনেট ইন্টারন্যাশনাল হলে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ” সমাজ উন্নয়নে নারীদের ভূমিকা ” শীর্ষক আলোচনা সভা গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান গীতিকবি সেলিনা আক্তার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম.মোজাম্মেল হক এমপি,প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি মীর হাসমত আলী, উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো.মোশাররফ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, গীতিকার ও সুরকার শেখ শাহ আলম, আলহাজ্ব ড.মো.আব্দুর রহিম,প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আলম আরা মিনু,গীতিকার গোলাম কিবরিয়া, ড.শাহ মোহাম্মদ সেলিম রেজা চৌধুরী, লায়ন জেবিন সুলতানা কান্তা, গোলাম ফারুক মজনু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এম শফিক উদ্দিন অপু। মহান ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ময়মনসিংহ মুসলীম গার্লস হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী সিলেট কুলাউড়ার মেয়ে ছালেহা বেগমকে মরোনোত্তর মাদার তেরেসা সম্মাননা প্রদান করা হয় । সম্মাননা পদকটি গ্রহন করেন তার সন্তান সৈয়দ শাকিল আহাদ।
এসময় ভাষা সৈনিক ছালেহা বেগমের অবদান উল্লেখ করে ছালেহা বেগমের বহিঃষ্কারাদেশ মরোনোত্তর প্রত্যাহারের দাবী জানান নেতৃবৃন্দ ।
জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, ৭৩ বছর শেষ হয়ে গেলো আজো কেউ ভাষা সৈনিক ছালেহা বেগম এর বহিঃষ্কারাদেশ মরোনোত্তর প্রত্যাহারের জন্য কোন ভূমিকা পালন করেননি।মহান স্বাধীনতার মাসে আমি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং ভাষা সৈনিক ছালেহা বেগম যাতে স্বাধীনতা পদক কিংবা একুশে পদক পায় সেই পদক্ষেপও রাস্ট্রকে নিতে হবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ