সেবাগ্রহীতাকে হয়রানি করলে ব্যবস্থা: প্রধান বিচারপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪ ১১:১৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪ ১১:১৩ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারিক সেবার মান উন্নয়নে সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এসব নির্দেশনা দেন বিচার বিভাগের প্রধান।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যদি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী আচরণবিধি ও নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সেবাগ্রহীতাকে হয়রানি বা আর্থিক লেনদেন করেন তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, সুপ্রিম কোর্টে আসা বিচারপ্রার্থীদের উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাদের দাপ্তরিক কর্তব্য পালনের ক্ষেত্রে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট রুলস, বিভিন্ন সময়ে জারি করা প্র্যাকটিস ডাইরেকশন, সার্কুলার ও অন্যান্য নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
বিচার সেবাপ্রত্যাশী ও তাদের নিযুক্ত আইনজীবীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার ও উন্নত সেবা দেওয়ার মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট অনুকরণীয় আদর্শ তৈরি করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধান বিচারপতি।
যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট আচরণবিধি মামনতে হবে, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেবা নিশ্চিত করা, দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক লেনদেন না করা, সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অহেতুক বিলম্ব না করা, সেবাগ্রহীতাকে হয়রানি না করা, সেবাগ্রহীতার প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ, প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন শেষ করা, কর্মকর্তাদের প্রতিদিন শাখা পরিদর্শন, অনিয়ম-দুর্নীতির ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এ ছাড়া প্রত্যেক শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে তাদের শাখার কার্যক্রম অতিরিক্ত রেজিস্ট্রারকে নিয়মিত জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর অতিরিক্ত রেজিস্ট্রারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, চার সপ্তাহ পর পর হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তাদের মনিটরিং কার্যক্রমের প্রতিবেদন দিতে।
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দেওয়া তথ্য মতে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৩৮টি এবং আপিল বিভাগে ১৯টি শাখা রয়েছে। দেশের শীর্ষ আদালতে একজন রেজিস্ট্রার জেনারেল, তিনজন রেজিস্ট্রার, চারজন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার, একজন স্পেশাল অফিসার, ১২ জন ডেপুটি রেজিস্ট্রার, ২০ জন সহকারী রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন কোর্ট ও শাখায় মোট দুই হাজার ৫০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ