সপ্তাহের ব্যবধানে পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ২৩ শতাংশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৩ ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৩ ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বর্তমানে চাইলেই বাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোনো কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে পারে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) বিএসইসির এ এখতিয়ারের বিপক্ষে। বিএপিএলসি মনে করে, পর্ষদ ভাঙার ক্ষমতা থাকা উচিত একমাত্র আদালতের হাতে।
বিদ্যমান বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। দু’টিকে মিলিয়ে একটি আইন করা হচ্ছে। নতুন করে প্রণয়ন করা হচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ২০২৩। ইতোমধ্যে এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, আইন লঙ্ঘনের কারণে কোনো ধরনের শুনানি ছাড়াই বিএসইসি কোনো কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করতে পারবে। তবে এ ব্যাপারে মতামত দিয়ে বিএপিএলসি বলেছে, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের এখতিয়ার থাকবে শুধু আদালতের হাতে। কমিশনের এ এখতিয়ার থাকা উচিত নয়।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির বিকাশ এবং বিদ্যমান আইনে ‘পুঁজিবাজারের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন ধারা থাকার কারণেই’ অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ নতুন করে এ আইন করছে এবং ইতোমধ্যে একটি খসড়া তৈরি করেছে। বিএপিএলসি সম্প্রতি বিদ্যমান আইনের নানা ত্রুটি চিহ্নিত করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের কাছেও চিঠির অনুলিপি দেয়া হয়েছে। পাঁচ পৃষ্ঠার এ চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বিএপিএলসির সভাপতি এম আনিস উদ দৌলা।
ঠিক কী কী কারণে কোনো কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করা যাবে, সে ব্যাপারে একটি নির্দিষ্ট তালিকা থাকা উচিত বলেও মনে করে বিএপিএলসি। কিন্তু খসড়া আইনে এ ধরনের কোনো ধারা রাখা হয়নি। সংগঠনটি বলেছে, শুনানির সুযোগ না দিয়ে কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা স্থগিত করা যাবে না। এতে পুঁজিবাজারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘনের জন্য কোনো ব্যক্তি শুধু লিখিত অভিযোগ নয়, মৌখিক অভিযোগও দিতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে খসড়া আইনে। বিএপিএলসি বলেছে, ব্যক্তির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানও যাতে অভিযোগ দিতে পারে, সেই ধারা যুক্ত করতে হবে। আর মৌখিক অভিযোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
জনতার আওয়াজ/আ আ