নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশি সফিউল - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৩:৫৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশি সফিউল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৩ ৯:২০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৩ ৯:২০ অপরাহ্ণ

 

ডেস্ক নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডিতে) ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কৃতী সন্তান একেএম সফিউল আলম প্রিন্স।

গত ২৮ এপ্রিল দুই শতাধিক পদোন্নতিপ্রাপ্তের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পান তিনি। ওইদিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় নিউইয়র্কের কুইন্সে অবস্থিত পুলিশ একাডেমিতে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তার হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেন বর্তমান পুলিশ কমিশনার ডারমট শিয়া।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপার) সাধারণ সম্পাদক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ক্যাপ্টেন সফিউল আলমের পদোন্নতিতে অভিনন্দন জানান সংগঠনটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী, সহপ্রতিষ্ঠাতা লেফট্যাটেন্ট কমান্ডিং ডিটেক্টিভ শামসুল হকসহ বাপার অন্য সদস্যরা।

ক্যাপ্টেন সফিউল পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের অ্যাডভোকেট আ ক ম শাহ আলম ও জাহানারা আলমের কনিষ্ঠ পুত্র। কলাপাড়ার খেপুপাড়া সরকারি হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং মোজাহের উদ্দীন বিশ্বাস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন সফিউল। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে ২০০০ সালে আমেরিকায় পাড়ি জমান।

২০০৬ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেওয়ার আগে তিনি কুইন্স ব্যুরো কমিউনিটি কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট এবং নিউইয়র্ক সিটির জন জে কলেজ থেকে ক্রিমিনাল জাস্টিসের ওপর দ্বিতীয় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১২ সালে পুলিশের সার্জেন্ট হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে ম্যানহাটনের পি এস এ ফাইভে কর্মরত ছিলেন। এরপর ২০১৭ সালে লেফট্যাটেন্ট পদে পদোন্নতি পেয়ে ৭১ প্রিসিস্কটের ইন্টিগ্রিটি কন্ট্রোল অফিসার (আইসিও) হিসেবে যোগদান করেন। ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পাওয়ার আগে তিনি পুলিশের ট্রান্সপোরটেশন ব্যুরোতে আইসিও হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই ছেলে জোয়েব, জেইন ও সহধর্মিণী তানজিনা ইসলাম শর্মিকে নিয়ে লং আইল্যান্ডে বসবাস করেন তিনি।

এদিকে এনওয়াইপিডিতে তার এই অনন্য কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা), এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ।

বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপার) নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট সার্জেন্ট এরশাদ সিদ্দিকী বলেন, ক্যাপ্টেনের মতো পুলিশ বিভাগের শীর্ষপদগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশিরা আসতে পারলে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষরা লাভবান হবেন। এনওয়াইপিডির বিভিন্ন ইউনিটে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশিরা পুলিশ বিভাগের উচ্চপদগুলোর নেতৃত্বের আসনে আসীন হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ