কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে না: প্রধান উপদেষ্টা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:১৬, মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১লা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে না: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ৯:১৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ৯:১৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একসাথে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে কোনো রাজনৈতিক দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে না— এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল জয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএস) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট— দুটিই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সমর্থন দিয়েছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাবে, আমি এতে বিশ্বাস করি। আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্বৈরশাসনের কারণে গত ১৬ বছর মানুষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। এবার মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে। নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ।”

সাক্ষাতে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়। আলোচনায় সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি (পিসিএ), আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট, অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পাওলা পাম্পালোনি বলেন, “২০ বছর ধরে সাধারণ অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক পরিচালনার পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে সমন্বিত অংশীদারিত্ব চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূস যে অসাধারণ সংস্কারমূলক কাজ করেছেন, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করি।”

তিনি আরও বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে এই সংস্কারগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংস্কার আমাদের গভীর পর্যবেক্ষণে এসেছে এবং আমরা প্রশংসা করেছি। পিসিএ চুক্তি দুই পক্ষের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বড় সুযোগ তৈরি করবে।”

জবাবে ড. ইউনূস ১৭ মাস ধরে ইইউর ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “পিসিএ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।”

পাওলা পাম্পালোনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ইইউ উচ্চপর্যায়ের বড় একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠাচ্ছে। মিশনের প্রধান চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসবেন এবং রাজনৈতিক নেতাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ