না’গঞ্জে নির্যাতনের শিকার সেই শিক্ষার্থীকে ৫ লাখ টাকা অনুদান গাজী গ্রুপের - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৪:১৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

না’গঞ্জে নির্যাতনের শিকার সেই শিক্ষার্থীকে ৫ লাখ টাকা অনুদান গাজী গ্রুপের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২২ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২২ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ

 

নারায়ণগঞ্জ মর্গ্যান গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষার্থী সূচনা দাস নিতুর শিক্ষা জীবনের দায়িত্ব নিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা চেক দিয়েছেন গাজী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী গোলাম মর্তুজা পাপ্পা। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিতুর হাতে ৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। নিতুর স্কুলের এক শিক্ষকের কারণে তার শিক্ষা জীবন শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। চেক হাতে পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নিতু স্কুলের সহকারি শিক্ষিকা লায়লা বেগমের বিচার দাবি করেন এবং আর কোন শিক্ষার্থী যেন শিক্ষকের এমন নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার না হোন এ মর্মে সবার কাছে আহবান জানান। এ সংবাদটি দৈনিক দিনকালের অনলাইলে প্রকাশিত হয়েছিল।
নিতু ২০২৩ সালে এস এস সি পরীক্ষার্থী। স্কুলের বিশেষ ক্লাসের ৬ হাজার টাকা বেতন দিতে না পারায় টেস্ট পরীক্ষা (ভূগোল) চলাকালীন হল থেকে বের করে ৪০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন স্কুলের সহকারি শিক্ষিকা লায়লা বেগম। নিতু তার বিভাগে থার্ড গার্ল হওয়ার পরেও বিশেষ ক্লাসের বেতন দিতে না পারায় নিতুকে ভূগোলসহ তিন বিষয়ে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে নিতু প্রতিবাদ জানিয়ে স্কুলে গিয়ে পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ করে। কিন্তু স্কুলের শিক্ষিকা লায়লা সেই খাতা দেখাতে বাধ্য না এবং নিতুকে এস এস সি পরীক্ষা দিতে দেবে না বলে হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে নিতু কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে ফেসবুকে নিজের শিক্ষা জীবন ফিরিয়ে দিতে আকুতি জানায়। নিতুর সেই কান্নার ভিডিও ১৬ লাখ ভিউ হয় এবং ৩৩ হাজার শেয়ার হয়ে ভাইরাল হয়ে যায়। এক পর্যায়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জরুল হাফিজ এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে নিতুকে পরীক্ষা দেওয়া ব্যবস্থার আশ^াস দেন। ঘটনা তদন্তে নারায়ণগঞ্জ শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
নিতু জানান, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরে ওই শিক্ষিকা এখনো স্কুলে আছে। তদন্ত কমিটি স্কুলে গিয়ে সব শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে জিজ্ঞেস করে। সেই সময় শিক্ষার্থীরা লায়লা ম্যাডামের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেয় তদন্ত কমিটির কাছে।
এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থী নিতু জানান, আমি শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নই। আমি চাই অনিয়মটা বন্ধ হোক। সুষ্ঠ তদন্ত হোক। যাতে দোষীরা ছাড় না পায়। ৫ লাখ টাকার চেক পেয়ে আমি শিক্ষা জীবটা সুন্দরভাবে যেন গড়তে পারি এ জন্য গাজী গ্রুপকে ধন্যবাদ।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জরুল হাফিজ জানান, নিতুর পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। আর ওই স্কুলের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটির তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে আমরা কিছু অনিয়ম পেয়েছি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ