সাংবাদিকতায় নেতৃত্ব গড়তে ৩২ নারী শিক্ষার্থীর বিশেষ প্রশিক্ষণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, মে ১৮, ২০২৬ ৮:২৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, মে ১৮, ২০২৬ ৮:২৮ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
ভবিষ্যতে নারী মিডিয়া নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশের চারটি শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিকতা ও যোগাযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২ জন নারী শিক্ষার্থী তিন দিনের একটি নিবিড় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।
সুইডেনভিত্তিক ফোয়ো মিডিয়া ইনস্টিটিউটের এজাইল প্রকল্পের ‘উইমেন মিডিয়া লিডারস অব টুমরো (WMLT)’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। ৯ মে থেকে ১১ মে মানিকগঞ্জের গণকল্যাণ ট্রাস্টে (GKT) কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্কের (C-JEN) সহযোগিতায় এ উদ্যোগে সহায়তা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে প্রচলিত শ্রেণিকক্ষের বাইরে গিয়ে অভিজ্ঞতাভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সাংবাদিকতায় নেতৃত্বের ধারণা স্পষ্ট করতে আত্ম-নেতৃত্ব, রোল মডেল এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ মিডিয়া পরিবেশে টিকে থাকার কৌশলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, যেখানে কর্মপরিবেশ ও পারিশ্রমিক অনেক সময়ই অনিশ্চিত থাকে।
অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকতা পেশায় প্রবেশ থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে নিউজরুম নেতৃত্বে পৌঁছানোর পথ নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে সুপারভাইজার বা ম্যানেজার হওয়ার সঙ্গে কার্যকর নেতৃত্বের পার্থক্যও উঠে আসে। সেশনগুলোতে পরামর্শক হিসেবে ছিলেন ফোয়ো মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক সার্সতি ফোর্সবার্গ।
কর্মশালার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল সাংবাদিকদের কর্মক্ষেত্রে ঝুঁকি ও হয়রানির প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ও পেশাগত স্থিতিস্থাপকতা। ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব নিউজপেপারস অ্যান্ড নিউজ পাবলিশার্স (WAN-IFRA)-এর সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট হ্যান্ডবুক ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারীদের মাঠপর্যায় ও নিউজরুমে হুমকি ও হয়রানি শনাক্ত, নথিবদ্ধ এবং প্রতিক্রিয়া জানানোর বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে জোর দেওয়া হয় যে, হয়রানি ও নির্যাতন সাংবাদিকতার স্বাভাবিক অংশ নয় এবং এর বিরুদ্ধে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তাও রয়েছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ